Tirthankar Ghosh | পানিহাটির রাস্তায় নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্করকে ঘোরাল পুলিশ, দেখেই ‘চোর চোর’ স্লোগান স্থানীয়দের

Tirthankar Ghosh | পানিহাটির রাস্তায় নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্করকে ঘোরাল পুলিশ, দেখেই ‘চোর চোর’ স্লোগান স্থানীয়দের

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে (Tirthankar Ghosh) শনিবার সকালে পানিহাটির বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ ও তদন্ত চালাল পুলিশ। খড়দা থানার পুলিশি হেপাজতে থাকা তীর্থঙ্করকে এলাকায় দেখা মাত্রই স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ তীব্র বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। পুলিশি উপস্থিতির মধ্যেই অভিযুক্তকে লক্ষ্য করে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পলাতক নির্মল ঘোষকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতেও সরব হন এলাকাবাসী।

দীর্ঘদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর গত সপ্তাহে তীর্থঙ্কর ঘোষকে গ্রেপ্তার করে খড়দা থানার পুলিশ। আদালতের নির্দেশে তদন্তের স্বার্থেই শনিবার তাঁকে পানিহাটির বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। বহুল আলোচিত একটি লটারি মামলায় এক গাড়িচালকের কাছ থেকে কোটি টাকা জোর করে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছিল। সেই সূত্রেই পুলিশ তাঁদের খুঁজছিল।

স্থানীয় রাজনীতিতে ‘পুচিদা’ নামে পরিচিত তীর্থঙ্কর ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর পানিহাটির অমরাবতী দক্ষিণায়ন এলাকায় বিজেপি নেতা জয় সাহার বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনায় তাঁর নাম উঠে আসে বলে অভিযোগ। এছাড়া জমি দখল ও অন্যান্য অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে বারবার উঠেছে। তবে অতীতে তাঁর বাবার রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কোনো কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি বলে বিরোধীদের অভিযোগ। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পানিহাটি কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।

পুত্র তীর্থঙ্কর গ্রেপ্তার হলেও, এখনো পর্যন্ত পুলিশি নাগালের বাইরে রয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ। তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকদের সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্মল ঘোষের সন্ধানে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তাঁকে দ্রুত গ্রেপ্তার করাই এখন পুলিশের মূল লক্ষ্য।

শনিবার এলাকায় তীর্থঙ্করকে ঘিরে সাধারণ মানুষের এই ক্ষোভ ও বিক্ষোভ রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় তাঁকে ফের থানা ও হেফাজতের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *