সমীর দাস, হাসিমারা: বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রবিবার ফের উত্তরবঙ্গে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Mamata Banerjee)। রবিবার দুপুরে বিশেষ বিমানে হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটিতে নামবেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। তার আগে রবিবার রাতে মালঙ্গি বনবাংলোতে (Malangi) থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই বনবাংলোটিতে ‘ভিউকাট’ মডেলে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শুক্রবার প্রশাসনের তরফে মুখ্যমন্ত্রীর থাকার বিষয়টি সুনিশ্চিত হতেই সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বনবাংলোটি। ওইদিনই জেলা পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা বনবাংলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেছেন। এদিকে শনিবারও প্রশাসনিক তৎপরতা লক্ষ করা যায়। দিনভর বিদ্যুৎ, পূর্ত, বন দপ্তর সহ অন্য দপ্তরের আধিকারিকরা মালঙ্গি বনবাংলোর কাজের তদারকি করেন।
সোমবার নীলপাড়া রেঞ্জের অডিটোরিয়ামে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই নীলপাড়া রেঞ্জ চত্বরও সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি সেখানকার নিরপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার করা হচ্ছে। শনিবার দুপুরে মালঙ্গি বনবাংলোতে গিয়ে দেখা গেল প্রায় ২০০ শ্রমিক সম্পূর্ণ বনবাংলো পরিষ্কারের কাজ করছেন। ছেঁটে ফেলা হচ্ছে বাংলো সংলগ্ন লনের ঘাস। সম্পূর্ণ বাংলো চত্বর উঁচু টিন দিয়ে ঘিরে ফেলা হচ্ছে। ‘ভিউকাট’ মডেলে সেখানে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, যে পথে হাসিমারা বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে মালঙ্গি বনবাংলোতে পৌঁছাবেন সেই রাস্তার ধারে বাঁশ বাঁধা হচ্ছে। সেখানে কাপড় লাগানো হতে পারে বলে খবর। একইভাবে নীলপাড়া রেঞ্জের প্রবেশপথেও কাজ চলছে। তার একটু আগেই সুভাষিণী চা বাগান। তোর্ষা নদীর বাঁধ ভেঙে বাগানের নদী লাইন প্লাবিত হয়েছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী সুভাষিণী চা বাগানের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যেতে পারেন।
তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীরেন্দ্র বরা ওরাওঁ বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী বাগানে যাবেন কি না তা প্রশাসনের তরফে এখনও জানানো হয়নি।’
