Suvendu Adhikari remained silent on the problem of veg meals throughout Durga Puja.

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


পালাবদলের বাংলায় দুর্গাপুজোয় আদৌ আমিষ খাওয়া যাবে? গত কয়েকদিন ধরেই এই নিয়ে নানা মহলে নানা মত। কারণ, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একটি বার্তা। সেখানে বলা হয়েছিল, পুজো মণ্ডপের আশপাশে আমিষ খাবার বিক্রি ও খাওয়া যাবে না। তারপরই সোশাল মিডিয়া জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে নানারকম তথ্য। শোনা যাচ্ছিল, আজ অর্থাৎ ৭ তারিখ এবিষয়ে রাজ্যের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু এদিন মিলন মেলা প্রাঙ্গণে পুজো সংক্রান্ত একাধিক সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেও আমিষ প্রসঙ্গই তুললেন না তিনি।

বিষয়টা ঠিক কী? বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক নেতা বলেছিলেন, পুজো মণ্ডপের আশপাশে আমিষ খাবার গেলেও তা অপবিত্র। এই ক’টাদিন আমিষ না খাওয়ার কথাও শোনা গিয়েছিল। তা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো আলোচনা-পালটা আলোচনার ঝড় ওঠে। তবে দিন শেষে সকলেরই প্রশ্ন ছিল, পুজোয় আমিষ খাওয়া যাবে কি না। পরবর্তীকালে নবান্ন সূত্রে জানা যায়, পুজোর মেনুতে কী থাকবে আর কী থাকবে না, তা নিয়ে আমজনতার উপর কোনও নির্দেশ চাপানোর কথা ভাবছে না রাজ্য। তবে হ্যাঁ, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে তাঁদের মতাদর্শের ভিত্তিতে কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজ্য আমিষ খাবারে কোনওরকম নিষেধাজ্ঞা লাগু করতে চায় না। ফলে নবমীতে পাঠার মাংসের ঝোল থেকে দশমীর জোড়া ইলিশ, কোনও কিছুতেই বাধা থাকবে না।

আরও পড়ুন:

নবান্ন সূত্রে খবর, পুজোর মেনুতে কী থাকবে আর কী থাকবে না, তা নিয়ে আমজনতার উপর কোনও নির্দেশ চাপানোর কথা ভাবছে না রাজ্য। তবে হ্যাঁ, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে তাঁদের মতাদর্শের ভিত্তিতে কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।  কিন্তু রাজ্য আমিষ খাবারে কোনওরকম নিষেধাজ্ঞা লাগু করতে চায় না। কিন্তু এদিন শুভেন্দু অধিকারীর মুখে এসংক্রান্ত কোনও কথাই শোনা গেল না। 

শোনা যাচ্ছিল, পুজো বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করতে পারেন, আমিষ খাওয়ায় কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করছে কিনা রাজ্য। কিন্তু এদিন শুভেন্দু অধিকারীর মুখে এই নিয়ে কোনও মন্তব্যই করলেন না। যাতে ধরেই নেওয়া হচ্ছে, পুজোয় বাঙালির খাদ্যাভাসে কোনও হস্তক্ষেপ চাইছে না রাজ্য। অর্থাৎ পুজোয় বাঙালি যা ইচ্ছে তাই খাবে। প্রসঙ্গত, আমিষ বিতর্কে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের পালটা দিয়ে এদিন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, উৎসবে বাঙালির পাতে মাছ-মাংস পড়বেই। এবার এ নিয়ে মুখ খুলে মুখ্যমন্ত্রী যেন বুঝিয়ে দিলেন, বিষয়টিতে আমল দেওয়ারই প্রয়োজন নেই। 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *