Suvendu Adhikari | ধর্মান্তরণ ও জমি কেনাবেচায় রাশ টানতে কড়া আইন আনছে সরকার! বাঁকুড়া থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) চালুর পাশাপাশি রাজ্যে বলপূর্বক ধর্মান্তরণ এবং জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে একাধিক কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করতে চলেছে সরকার (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের বৈঠকে যোগ দিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক শেষে এই সংক্রান্ত জোরালো বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ভিনরাজ্যের আদলে খুব শীঘ্রই রাজ্যে ধর্মান্তরণ বিরোধী এবং ‘ল্যান্ড জিহাদ’ রুখতে নির্দিষ্ট আইন আনা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।

এদিন বাঁকুড়ায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে ইতিমধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) সংক্রান্ত খসড়া বিল তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত ৯ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি সেই খসড়া বিল খুঁটিয়ে খতিয়ে দেখছে। খুব শীঘ্রই রাজ্যে ইউসিসি কার্যকর করা হবে বলে জানান তিনি।

এর পাশাপাশি ধর্মান্তরণ ও জমি কেনাবেচা নিয়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপের কথা মনে করিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘গরিব মানুষের আর্থিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে জবরদস্তি ধর্ম পরিবর্তনের ধারা কিছুতেই বরদাস্ত করা হবে না। এছাড়া ধর্মস্থান প্রতিষ্ঠার নামে বিদেশ থেকে টাকা এনে ধর্মান্তরণের যে অপচেষ্টা চলছে, তা অবিলম্বে রুখতে হবে। এই সমস্ত কিছু বন্ধ করতেই খুব শীঘ্রই নতুন আইন আনবে সরকার।’’

এর আগে দেশের একাধিক বিজেপিশাসিত রাজ্য যেমন উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরাখণ্ডে জবরদস্তি ধর্মান্তরণ ও ‘লভ-জিহাদ’ বিরোধী কঠোর আইন কার্যকর করা হয়েছে। একই পথে হেঁটে পশ্চিমবঙ্গেও এই ধরনের সামাজিক ও আইনি নিয়ন্ত্রণ আনার কথা বারবার বলে এসেছে শাসক দল।

পাশাপাশি ‘ল্যান্ড জিহাদ’ বা জমি কেনাবেচার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে নির্দিষ্ট এলাকার জনবিন্যাস বা ডেমোগ্রাফি বদল করার অভিযোগ তুলে নির্বাচনের প্রচারকালেও সরব হয়েছিল বিজেপি। গুজরাত বা অসমে ভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে জমি হাতবদলের ক্ষেত্রে যেমন সরকারি কড়াকড়ি রয়েছে, এ রাজ্যেও ঠিক সেই আদলে জমি কেনাবেচায় রাশ টানতে সুনির্দিষ্ট আইনি বিধিনিষেধ ও বিল আনা হবে বলে এ দিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *