Suvendu Adhikari | ‘অব বাঙ্গাল কা বারি হ্যায়’, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত চাঁচলে শুভেন্দুর মুখে অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ জয়ের কথা

Suvendu Adhikari | ‘অব বাঙ্গাল কা বারি হ্যায়’, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত চাঁচলে শুভেন্দুর মুখে অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ জয়ের কথা

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ‘বিহার কা জিত হামারি হ্যায়, অব বাঙ্গাল কা বারি হ্যায়’। শুক্রবার মালদার (Malda) চাঁচলে (Chanchal) বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’য় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনটাই বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শর্তসাপেক্ষে এই সভার অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন সভা করা নিয়েও সরব হন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘বিজেপিকে মিটিং করতে দেওয়া হবে না। হাইকোর্ট বলার পরও অ্যাপ্লিকেশন রিজেকটেড।’

শুভেন্দুর কথায়, ‘আর চার মাস আছে চিন্তা করবেন না। ২৪-এ জয় জগন্নাথ বলে ওডিশায় বিজেপি সরকার হয়েছে। এবার বাংলায়ও পরিবর্তন হবে। নাগরাকাটায় খগেন মুর্মুর আক্রান্ত হওয়া নিয়েও সরব হন শুভেন্দু। বলেন, ‘উনি ত্রাণ দিতে গিয়েছিলেন। ভোট চাইতে যাননি। খগেন মুর্মুর রক্ত, হবে না ব্যর্থ।’

পাশাপাশি এদিন সামশেরগঞ্জে হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসকে খুনের ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশে দীপুচন্দ্র দাসের মৃত্যুর তুলনা করেন বিরোধী দলনেতা। এদিন চাঁচলের জনসভা থেকে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ দাগেন তিনি। বলেন অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ জয়ের কথা।

চাঁচলের সভা থেকে এদিন ‘হিন্দুত্ব তাস’ খেলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেছেন, ‘রাজ্যে হিন্দুরা এক হলেই বিজেপি ২২০টি আসনে জিতবে’। শুভেন্দু বলেন, ‘বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে ২০০ দিনের কাজ দেবে। পাকা বাড়ি তৈরির জন্য তিন লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে’।

তৃণমূলে থাকাকালীন তিন বছরেরও বেশি সময় মালদা (Malda) ও মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় তৃণমূল দলটা নিজে পরিচালনা করেছেন শুভেন্দু ৷ এই দুই জেলাকে হাতের তালুর মতো চেনেন তিনি৷ যদিও তাঁর সময়কালে তৃণমূল মালদা জেলায় দাঁত ফোটাতে পারেনি৷ কিন্তু কার্যত গোটা মুর্শিদাবাদকে তৃণমূলের গড় বানিয়েছিলেন। মমতার আশ্রয় ছেড়ে এখন বঙ্গ বিজেপির মুখ শুভেন্দু অধিকারী ৷ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তিনি ৷ ভোটে হারিয়েছেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৷ ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাই সেই মালদা ও মুর্শিদাবাদের দিকে আবারও নজর পড়েছে তাঁর৷

পোড়খাওয়া রাজনীতিক শুভেন্দু খুব ভালোভাবেই জানেন, এবারের নির্বাচন তাঁর কাছে একপ্রকার অ্যাসিড টেস্ট৷ সেই পরীক্ষায় পার হতে বেছে নিয়েছেন সংখ্যালঘু অধ্যুষিত চাঁচলকে৷ এখান থেকে তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা মালতীপুরের বিধায়ক আব্দুর রহিম বকসিকেও খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন শুভেন্দু। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে জেলায় ঢুকতে দেবেন না বলে হুমকি দিয়েছিলেন মালদার তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা মালতীপুরের বিধায়ক আব্দুর রহিম বকসি। এবার তাঁকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু। বলেন, ‘আমি যখন তৃণমূলের অবজার্ভার ছিলাম, তখন রহিম বকসি আমার গাড়ির দরজা খুলতেন। আমি কথা দিলাম, রহিম বকসিকে হারিয়ে ছাড়ব।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *