সৌরভ রায়, কুশমণ্ডি: বুনিয়াদপুর থেকে কালিয়াগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ হবেই বলে জানালেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। রেলপ্রকল্পটির কাজ আটকে থাকার দায় তিনি উত্তর দিনাজপুরের জেলা শাসক সুরেন্দ্রকুমার মিনার ওপর চাপিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা শাসক বিজিন কৃষ্ণা রেললাইন স্থাপনে জমি অধিগ্রহণে সহযোগিতা করছেন। কিন্তু উত্তর দিনাজপুরের জেলা শাসকের সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি টালবাহানা করছেন।’
যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য, ‘রেললাইন সম্প্রসারণ কেউ আটকাতে পারবে না। রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণ করে দিলে রেললাইন স্থাপনে যত কোটি টাকাই লাগুক, দিল্লি থেকে আনার দায়িত্ব আমার।’ এই বিষয়ে জানতে উত্তর দিনাজপুরের জেলা শাসককে দুইবার ফোন করা হয়। প্রথমে ফোন করা হয় সন্ধ্যা ৬টায়। এরপর ফোন করা হয় ৮টা ৪০ মিনিটে। কিন্তু দুইবারই তিনি ফোন ধরেননি। ফোন করার পাশাপাশি জেলা শাসককে হোয়াটসঅ্যাপও করা হয় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে। কিন্তু তখনও হোয়াটসঅ্যাপে তিনি কোনও জবাব দেননি।
উন্নয়নের জন্য কোনও ক্ষেত্রেই রাজ্য সরকার জমির ব্যবস্থা করছে না বলে সুকান্তর অভিযোগ। তিনি বলেন, ‘কুশমণ্ডি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রী প্রতীক্ষালয় তৈরির পরিকল্পনা থাকলেও জায়গার অভাবে করা যাচ্ছে না।’ কুশমণ্ডি বাজার সংলগ্ন এলাকায় হাইড্রেন সংস্কারও রাজ্য সরকারের অনুমতি না পেয়ে থমকে আছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বাণগড়ে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার জমি দখলমুক্ত না হওয়ার জন্যও তিনি রাজ্য সরকারের উদাসীনতাকে দায়ী করেন।
কুশমণ্ডি ব্লকে ছোট দামোদরপুর গ্রামে একটি কালী মন্দিরের সামনে সাংসদের এলাকা উন্নয়ন তহবিলের ৪ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা খরচে তৈরি সোলার হাইমাস্ট লাইটের উদ্বোধন করেন সুকান্ত। তাঁর অভিযোগ, ‘পশ্চিমবঙ্গ বৃদ্ধাশ্রমে পরিণত হয়েছে। কলকাতা, বর্ধমান, দুর্গাপুরের অনেক বাড়ির তরুণরা ভিনরাজ্যে কাজ করতে চলে গিয়েছেন।’
