Migrant labor | আপ শাসিত পঞ্জাবেও গ্রেপ্তার বাংলার ছয় পরিযায়ী শ্রমিক

Migrant labor | আপ শাসিত পঞ্জাবেও গ্রেপ্তার বাংলার ছয় পরিযায়ী শ্রমিক

শিক্ষা
Spread the love


সৌম্যজ্যোতি মণ্ডল, চাঁচল: এবার আপ শাসিত পঞ্জাবে হেনস্তার শিকার হলেন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা। লুধিয়ানায় মুরগির খামারে কাজে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন চাঁচল ১ নম্বর ব্লকের মহানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ছয় পরিযায়ী শ্রমিক। পশুহত্যা সহ তিনটি ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তাঁরা লুধিয়ানার সেন্ট্রাল জেলে বন্দি রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে প্রবল উদ্বেগে রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

ওই শ্রমিকদের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে লুধিয়ানায় কাজের সন্ধানে যান জাকির হোসেন, রায়হান আলম, কুরবান আলি, আজম আলি, মিনজার আলি ও মুক্তার আলম। সেখানে একটি মুরগির খামারে কাজে যোগ দেন তাঁরা। খামারের একটি গোডাউন ঘরে থাকছিলেন ওই শ্রমিকরা। চলতি মাসের ২ তারিখ রাতে হঠাৎ সেখানকার স্থানীয় পুলিশ এসে তাঁদের গ্রেপ্তার করে। পুলিশের পক্ষ থেকে ফোনে পরিবারের লোকেদের সেই খবর দেওয়া হয়। সোমবার পরিবারের সদস্যরা লুধিয়ানায় পৌঁছান। জেলে দেখা করতে গিয়ে জানতে পারেন, পুলিশি হেপাজতে ওই ৬ শ্রমিকের উপর শারীরিক নিগ্রহ করা হয়। এমনকি ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে অত্যাচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। পরিবারের লোকেদের আরও অভিযোগ, একজন পুলিশ মারফত তাঁরা আইনজীবীর নম্বর পেয়েছিলেন। ওই আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করে আইনি সহায়তার জন্য মাথাপিছু ১০ হাজার টাকা করেও দেন। কিন্তু আইনজীবী কোনও কাজ করছেন না। ধৃত শ্রমিক জাকির হোসেনের দাদা মহম্মদ আনোয়ারুল হক বলেন, ‘আমাদের অবস্থা খুব খারাপ। যেটুকু টাকা এনেছিলাম, সেটাও শেষ। কোনও আইনি সহায়তা পেলাম না। কী করব, কোথায় যাব, বুঝতে পারছি না। রাজ্য সরকার, জেলা প্রশাসন আমাদের সহায়তা না করলে কোথায় যাব?’

পরিযায়ী শ্রমিক ওয়েলফেয়ার কমিটির চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম বলেন, ‘পঞ্জাবে সাধারণত এমন হেনস্তার ঘটনা হয় না। এগুলো বিজেপি শাসিত রাজ্যে হয়। বিষয়টি ঠিক কী হয়েছে, খোঁজ নিয়ে দেখছি। আইনিভাবে যেটা সহায়তা দরকার আমরা করব।’

উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর দাবি, ‘তৃণমূলের অপদার্থতার জন্য বাংলার ছেলেদের বাইরে কাজে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এতদিন এরা বলত, এগুলো বিজেপি শাসিত রাজ্যে হয়। এখন কী বলবে।’

মালতীপুরের বিধায়ক তথা জেলা তৃণমূল সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, ‘বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক যে রাজ্যতেই সমস্যায় পড়ুক, আমরা পাশে আছি।’

জেলা শ্রম দপ্তরের যুগ্ম আধিকারিক বিতান দে বলেন, ‘আমাদের কাছে রিপোর্ট এসেছে। কোন কোন ধারায় মামলা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *