Street accidents | বিজয়া দশমীর আনন্দ বদলে গেল বিষাদে! পৃথক পথ দুর্ঘটনায় মৃত পাঁচ

শিক্ষা
Spread the love


প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, পূর্ব বর্ধমান: শারদোৎসবের আনন্দ ও সিঁদুর খেলার উচ্ছ্বাসের মাঝেই পূর্ব বর্ধমান জেলায় নেমেছে শোকের ছায়া। বিজয়া দশমীর পবিত্র তিথিতে পৃথক দুটি পথ দুর্ঘটনায় (Street accidents) প্রাণ হারিয়েছেন মোট পাঁচজন। জেলার রায়না এবং ভাতার থানা এলাকার এই মর্মান্তিক ঘটনায় উৎসবের শেষ দিনটি বিষাদে ঢেকে গেছে, আর মৃতদের পরিবারে বইছে কান্নার রোল।

প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে রায়না থানার সেহারা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাজিতপুর এলাকায়। ওই গ্রামেরই তিন বাসিন্দা কামাখ্যা রায় (৬১), নাড়ুগোপাল রায় (৪৫) এবং শ্রীকান্ত রায় (৪১) বুধবার সকালে একটি বাইকে চড়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। পথিমধ্যে বাইকে পেট্রোল ভরার জন্য বর্ধমান-আরামবাগ ৭ নম্বর রাজ্য সড়কের মিরেপোতা জহুরী পুকুর সংলগ্ন একটি পেট্রোল পাম্পের দিকে তাঁরা গাড়িটি ঘোরাতে যান। ঠিক সেই মুহূর্তেই রাস্তা পারাপারের সময় একটি দ্রুতগামী বর্ধমানমুখী লরি সজোরে ধাক্কা মারে বাইকটিকে। পুলিশ আহত তিনজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়, কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় শোকস্তব্ধ বাজিতপুর গ্রামের বাসিন্দারা। পুলিশ ঘাতক লরি ও ক্ষতিগ্রস্ত বাইকটি বাজেয়াপ্ত করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।

অন্যদিকে মঙ্গলবার গভীর রাতে ভাতারের পাটনা গ্রামের শ্মশান সংলগ্ন অঞ্চলে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই যুবকের। মৃত দুই যুবকের নাম জিৎ মাঝি (১৯) এবং মনোজ পাল (৩০), যাঁদের উভয়েরই বাড়ি ভাতারের মাহাচান্দা এলাকায়। তাঁরা বর্ধমান শহর থেকে দুর্গোৎসবের আলোকসজ্জা ও প্রতিমা দর্শন সেরে বাইকে চেপে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। সেই সময়ই পাটনা গ্রামের শ্মশানের কাছাকাছি পৌঁছালে কোনো একটি অজ্ঞাত পরিচয় দ্রুতগামী গাড়ি তাঁদের বাইকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। মৃতদের আত্মীয় আশিস মাঝি জানান যে, ঠাকুর দেখে বাইকে করে বাড়ি ফেরার পথেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে এবং তাঁর অনুমান কোনো ভারী লরি বাইকটিকে ধাক্কা মেরে পালিয়েছে।

The publish Road accidents | বিজয়া দশমীর আনন্দ বদলে গেল বিষাদে! পৃথক পথ দুর্ঘটনায় মৃত পাঁচ appeared first on Uttarbanga Sambad.



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *