Strait of Hormuz | ‘বন্ধু’ ভারতের জন্য খোলা হরমুজ! সাফ জানাল ইরান, ছাড়ের তালিকায় আর কোন দেশগুলি?  

Strait of Hormuz | ‘বন্ধু’ ভারতের জন্য খোলা হরমুজ! সাফ জানাল ইরান, ছাড়ের তালিকায় আর কোন দেশগুলি?  

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা যত বাড়ছে, বিশ্ব বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ (Strait of Hormuz) নিয়ে উদ্বেগ ততই ঘনীভূত হচ্ছে। তবে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই ভারতের জন্য স্বস্তির খবর। ইরান (Iran) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারত সহ পাঁচটি ‘বন্ধু’ দেশের (Pleasant Nations) পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে কোনওরকম অবরোধ বা বাধা সৃষ্টি করা হবে না। ভারতের পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে রাশিয়া, চিন, পাকিস্তান এবং ইরাক।

সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি (Abbas Araghchi) সে দেশের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি। যেসব দেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, তাদের জাহাজের জন্য এই পথ খোলা রাখা হয়েছে।’ আরাঘচি আরও জানান, অনেক দেশই তাদের জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। ভারতের দুটি জাহাজ গত কয়েক রাত আগেই নিরাপদভাবে এই প্রণালী পার করেছে। এমনকি বাংলাদেশের নামও বন্ধু দেশের তালিকায় উঠে এসেছে।

ইরান একদিকে বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে ছাড় দিলেও, শত্রু দেশগুলোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিদেশমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আমেরিকা, ইজরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত উপসাগরীয় দেশগুলোর কোনও জাহাজ এই জলপথ ব্যবহার করতে পারবে না। এপ্রসঙ্গে আরাঘচি বলেন, ‘আমরা এখন যুদ্ধের আবহে রয়েছি। তাই শত্রুপক্ষ বা তাদের মিত্রদের জাহাজকে এই পথ দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।’

প্রায় পাঁচ দশক পর হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের এই নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব নিয়ে বেশ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আরাঘচি। তিনি দাবি করেন, যখন ইরান প্রথম এই আংশিক অবরোধের কথা ঘোষণা করেছিল, তখন অনেকেই একে ‘ভাঁওতা’ বলে মনে করেছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইরান তার সামরিক শক্তি ও সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। পশ্চিমি দেশগুলো এই জলপথ পুনরায় খোলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

মূলত, বিশ্বের মোট খনিজ তেলের একটি বিশাল অংশ এই হরমুজ প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়। এমতাবস্থায় ইরানের এই ‘ছাঁটাই নীতি’ বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভারতের মতো দেশগুলোর জন্য এটি বড় স্বস্তি হলেও, আন্তর্জাতিক মহলে এই বিভাজন নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *