উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Meeting Election 2026) আবহে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court docket) বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) সিংহভাগ কর্মীকে নির্বাচনের কাজে নিযুক্ত করায় নিয়োগের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ যাতে অমান্য না হয়, তা নিশ্চিত করতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল কমিশন।
বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে এসএসসির পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়। কমিশনের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, এসএসসিতে সর্বসাকুল্যে কর্মীর সংখ্যা মাত্র ৩৫ জন। তার মধ্যে ২৪ জনকেই নির্বাচন কমিশন ভোটের ডিউটিতে নিয়ে নিয়েছে। কমিশনের দাবি, এসএসসি একটি স্বশাসিত সংস্থা, তাই সেখান থেকে এভাবে ঢালাও কর্মী নিয়োগ বিধিসম্মত নয়।
২০১৬ সালের নিয়োগ প্যানেল বাতিলের পর সুপ্রিম কোর্ট আগামী ৩১ অগাস্টের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে। বর্তমানে একাদশ-দ্বাদশ, নবম-দশম এবং শিক্ষাকর্মী পদের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া চলছে। এই বিপুল কর্মযজ্ঞ চালানোর জন্য পর্যাপ্ত কর্মী না থাকলে নির্দিষ্ট সময়ে নিয়োগ শেষ করা কার্যত অসম্ভব বলে মনে করছে এসএসসি কর্তৃপক্ষ।
আদালতে কমিশন স্পষ্ট জানায়, নির্বাচন কমিশন যদি অবিলম্বে ওই কর্মীদের না ফেরায়, তবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের অবমাননা হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। সেই আইনি জটিলতা এড়াতেই আগেভাগে আদালতের হস্তক্ষেপ চাইল কমিশন।
বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। আদালত এখন কর্মীদের অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে কোনো নির্দেশ দেয় কি না, সেদিকেই তাকিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা।
