কোচবিহার: মাস গেলে মোটা অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল দেখে কপালে হাত পড়ছে? কোচবিহারের বাসিন্দাদের জন্য এবার স্বস্তির হাওয়া নিয়ে আসছে ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর বিজলি যোজনা’। ছাদের এক কোণে ছোট্ট একটা সোলার প্যানেল বসিয়েই যদি বিদ্যুতের বিল একেবারে নামমাত্র করা যায়, তবে মন্দ কি! সেই লক্ষ্যেই এখন কোচবিহার (Cooch Behar) জুড়ে চলছে জোরকদমে সোলার প্যানেল বসানোর কাজ। বিদ্যুৎ দপ্তরের টার্গেট, আগামী মার্চের মধ্যেই জেলার অন্তত ১২০০টি বাড়িতে এই সোলার প্যানেলের সুবিধা (Solar energy) পৌঁছে দেওয়া।
ইতিমধ্যেই জেলার প্রায় এগারোশো মানুষ এই আকর্ষণীয় প্রকল্পের জন্য আবেদন সেরে ফেলেছেন। তার মধ্যে ১৩৬টি বাড়িতে সোলার প্যানেল বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। উৎসবের মরশুম তথা দুর্গাপুজোর আগেই বেশিরভাগ আবেদনকারীর ছাদেই এই সোলার প্যানেল বসিয়ে ফেলার (Set up) পরিকল্পনা নিয়েছে দপ্তর। কোচবিহার বিদ্যুৎ দপ্তরের রিজিওনাল ম্যানেজার বিশ্বজিৎ দাস জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে গোটা জেলায় এই কাজ সফলভাবে রূপায়িত করতে তারা ময়দানে নেমে পড়েছেন।
তবে সাধারণ মানুষের মনে তো প্রশ্ন থাকতেই পারে যে, মেঘলা আকাশ বা টানা বৃষ্টিতে রোদ না উঠলে কী হবে? এখানেই রয়েছে টেকনিক্যাল চমক। এই সোলার সিস্টেমের সঙ্গে থাকছে দুটি বিশেষ মিটার—একটি জেনারেশন মিটার এবং অন্যটি এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট মিটার। ফলে আবহাওয়া খারাপ থাকলে বা পর্যাপ্ত রোদ না মিললে গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের পুরো হিসাব কষে নেবে এই স্মার্ট মিটার।
পাশাপাশি, সমাজের প্রান্তিক ও তফশিলি জাতি-উপজাতিভুক্ত (এসসি-এসটি) গ্রাহকদের জন্য থাকছে বাড়তি সুবিধা। সব মিলিয়ে কোচবিহারের মানুষ এখন ঝুঁঝছেন সলিউশনমুখী এই সোলার পাওয়ারের দিকে। এই সংক্রান্ত যেকোনও সমস্যায় কাস্টমার কেয়ার বা সংশ্লিষ্ট অফিসে যোগাযোগ করলেই মিলবে সমাধান।

