শিলিগুড়ি: সোমবার সকালে ভোট গণনা শুরু হতেই চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল শিলিগুড়ি কলেজের গণনাকেন্দ্রে (Siliguri election counting pressure)। পোস্টাল ব্যালট থাকা ছ’টি ট্রাঙ্কের মধ্যে পাঁচটি আগে থেকেই খোলা ছিল— তৃণমূল কংগ্রেসের এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল এলাকা। কারচুপির অভিযোগে সরব হয়ে তৃণমূল এজেন্টরা প্রতিবাদ শুরু করলে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের গণনার কাজ।
একনজরে পরিস্থিতি:
- ট্রাঙ্ক বিতর্ক: শাসক দলের দাবি, পোস্টাল ব্যালটের ট্রাঙ্ক সিল করা থাকার কথা থাকলেও পাঁচটি ট্রাঙ্ক আগে থেকেই খোলা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।
- গণনা স্তব্ধ: এই ঘটনার জেরে শিলিগুড়ি কলেজ কেন্দ্রে থাকা শিলিগুড়ি, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি এবং ফাঁসিদেওয়া— এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্রের গণনা এখনও শুরু করা সম্ভব হয়নি।
- বচসা: গণনাকেন্দ্রের ভেতরেই তৃণমূল এজেন্টদের সঙ্গে নির্বাচন আধিকারিকদের তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের সরাসরি হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, গণনায় জালিয়াতি করার উদ্দেশ্যেই ট্রাঙ্কগুলির সিল আগে থেকে ভাঙা হয়েছে। অন্যদিকে, পরিস্থিতি সামাল দিতে গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন, তবে কমিশনের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তিনটি কেন্দ্রের গণনা থমকে যাওয়ায় উৎকণ্ঠায় রয়েছেন প্রার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।
