যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


২০৪৭ সালে বিকশিত ভারত গড়ার সংকল্প প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি জানালেন, ”আজকের ভারত নতুন স্বপ্ন দেখছে। বড় স্বপ্ন দেখার সময় এসেছে। গত ১২ বছরে দেশের কোটি কোটি মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করে চলেছি।” এই মুহূর্তে যুদ্ধে জর্জরিত গোটা বিশ্বই। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! সেই সময়ে দাঁড়িয়ে এমনই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন তাঁকে বলতে শোনা যায়, ”ছোট স্বপ্ন দিয়ে আর চলবে না। আমাদের বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। কারণ বড় স্বপ্ন আমাদের চিন্তার পরিধিকে প্রসারিত করে। গত ১২ বছরে, অগণিত নাগরিক, তিনি দলিত হোন কিংবা নির্যাতিত বা প্রান্তিক, গ্রামীণ হোন বা শহুরে বাসিন্দা, দরিদ্র বা মধ্যবিত্ত, যুবক বা বর্ষীয়ান, নারী বা পুরুষ, উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব বা পশ্চিম— সকলেই অটল সংকল্প ও নিষ্ঠার সঙ্গে জাতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সম্ভাব্য সব উপায়ে প্রচেষ্টা চালিয়েছে। আমি এই প্রচেষ্টাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্বীকার করি।”

আরও পড়ুন:

সেই সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ”একটা জাতি তখনই মহান হয়ে ওঠে এবং নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করে, যখন তারা স্বপ্ন, দৃঢ় সংকল্প ও নিজস্ব অন্তর্নিহিত শক্তির তাড়নায় সামনের দিকে এগিয়ে যায়। আমাদের সংকল্প হতে হবে অটল; সংকল্প যখন দৃঢ় হয়, তখন প্রতিকূলতা ও বিপর্যয়ের মাঝেও এগিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজে বের করার সক্ষমতা আপনা-আপনিই গড়ে ওঠে…” 

তাঁর কথায় উঠে আসে ২০৪৭ সালের কথা। আগেই যে লক্ষ্যমাত্রা তিনি বেধে দিয়েছিলেন ‘বিকশিত ভারত’ গড়তে, সেকথাই আরও একবার স্মরণ করালেন প্রধানমন্ত্রী। আর সেকথা বলতে গিয়ে গত ১২ বছরের কাজের খতিয়ানও দিলেন তিনি। মনে করালেন, নতুন সংকল্পের সঙ্গে এগিয়ে চলছে দেশ। এই সময়সীমায় দারিদ্রসীমার বাইরে চলে গিয়েছেন ২৫ কোটি মানুষ। আর এই ১২ বছরেই দ্রুততম উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠেছে ভারত। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে উৎপাদন ৪ গুণ বেড়েছে বলেও জানান তিনি। সেই সঙ্গে মনে করিয়ে দেন, উৎপাদন ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যেতে হবে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *