Siliguri | বিহারের তথ্য দিয়ে বিপাকে ভোটাররা, সর্বশেষ এসআইআর নিয়ে বিভ্রান্তি

Siliguri | বিহারের তথ্য দিয়ে বিপাকে ভোটাররা, সর্বশেষ এসআইআর নিয়ে বিভ্রান্তি

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


রণজিৎ ঘোষ, শিলিগুড়ি : বিহার থেকে শিলিগুড়িতে এসে বসবাসকারী বহু মানুষ এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন। এর নেপথ্যে রয়েছে বিহারের এসআইআর। এনুমারেশন ফর্মের নীচের দিকে আত্মীয়ের নাম লেখার কথা বলা হয়েছে। সেখানে সর্বশেষ এসআইআর (ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনী)-এর তথ্য দিতে বলা হয়েছে। নির্বাচন দপ্তর সূত্রের খবর, অনেকেই চলতি বছর বিহারের এসআইআর অনুযায়ী ভোটার তালিকার তথ্য দিয়েছেন। এর ফলে বিএলও (বুথ লেভেল অফিসার)-রা যখন সেই তথ্য আপলোডের চেষ্টা করছেন, তখন নির্বাচন কমিশনের পোর্টাল সেটা গ্রহণ করছে না। শিলিগুড়ি মহকুমা নির্বাচন দপ্তর সূত্রের খবর, আদতে বিহারের বাসিন্দাদের ২০০৩ সালের এসআইআর-এর তথ্য দিতে হবে।

শিলিগুড়ি শহর থেকে শুরু করে মহকুমার বিভিন্ন ব্লকে বিহারের প্রচুর মানুষ বসবাস করেন। এমন অনেকে রয়েছেন, যাঁদের নাম এরাজ্যের ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই। তাঁদের বাবা, মা, বা পরিবারের অন্যরা এখনও বিহারেই থাকেন। এসআইআর-এর আবেদনপত্র পূরণের সময় এই সমস্ত ভোটাররা নিজেদের তথ্য ঠিকঠাক দিয়েছেন। কিন্তু নীচে আত্মীয়ের নাম সহ অন্য তথ্যের জায়গায় বিহারের এসআইআর পরবর্তী ভোটার তালিকা (২০২৫ সালের)-র তথ্য লিখেছেন। এর ফলে বিএলও-রা যখন ভোটারদের সেই তথ্য পোর্টালে আপলোড করছেন, সেই সময় পোর্টাল ওই ফর্ম বাতিল করে দিচ্ছে। বাতিলের কারণ হিসেবে আত্মীয়ের তথ্য ভুল রয়েছে বলে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনা নজরে আসার পরেই বিএলও-রা নিজেদের মধ্যে কথা বলেন। কেন এমন হচ্ছে সেটা জানার জন্য নির্বাচন দপ্তরে ফোন করা হয়।

নকশালবাড়ির এক বিএলও’র বক্তব্য, ‘১০-১২ জনের ফর্ম আপলোড করার পরই বাতিল হয়ে যাচ্ছিল। প্রথমে বুঝতে পারছিলাম না কেন এমনটা হচ্ছে। আবেদনপত্রে সর্বশেষ এসআইআর-এর তথ্য দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেটা দেখে প্রায় সব ভোটারই বিহারে চলতি বছরের এসআইআর অনুযায়ী তথ্য দিয়েছেন। অথচ তথ্য দিতে হবে বিহারের ২০০৩ সালের তালিকা মোতাবেক। এ কারণে প্রত্যেককে ডেকে সমস্ত কিছু ঠিক করাতে হচ্ছে। ফলে আমাদের দ্বিগুণ পরিশ্রম হচ্ছে।’ খড়িবাড়ির গণ্ডগোল মৌজার বাসিন্দা প্রীতমকুমার শা’র বক্তব্য, ‘আমাদের আদি বাড়ি বিহারের সাহেবগঞ্জে। বাবা, মা, কাকারা এখনও সেখানেই থাকেন। আমি এসআইআর ফর্মে বাবার নাম সহ অন্য তথ্য দিতে গিয়ে এই বছরের এসআইআর-এর সাহায্য নিয়েছি। কিন্তু এখন বলা হচ্ছে ২০০৩ সালের তথ্য লাগবে।’ একই সমস্যায় পড়েছেন ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাজেশপ্রসাদ শা এবং তাঁর পরিবার। এই পরিস্থিতিতে হোয়াইটনার দিয়ে পুরোনো লেখা মুছে নতুন করে লিখতে হচ্ছে বলে পুর এলাকার এক বিএলও জানিয়েছেন। তিনি বলছেন, ‘এখানকার বেশিরভাগ বাসিন্দার আদিবাড়ি বিহারের সাহেবগঞ্জ, সমস্তিপুর এলাকায়। এই দুটি বিধানসভা কেন্দ্রের নম্বর ২০২৫ সালে বদলে গিয়েছে। ফলে এসআইআর পোর্টালে সেই তথ্য নিচ্ছে না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *