Siliguri | বছর শেষে ভোটের জল্পনা, এগোতে পারে পুরনিগমের নির্বাচনও

Siliguri | বছর শেষে ভোটের জল্পনা, এগোতে পারে পুরনিগমের নির্বাচনও

ব্লগ/BLOG
Spread the love


নীতেশ বর্মন, শিলিগুড়ি: রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে মেয়াদ শেষের আগেই শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ এবং শিলিগুড়ি পুরনিগমে নির্বাচন করানোর সম্ভাবনায় জল্পনা তৈরি হয়েছে (Siliguri)। দার্জিলিং জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, চলতি বছরের নভেম্বরের শেষে বা ডিসেম্বরের প্রথম দিকেই মহকুমা পরিষদের ভোট করানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে খুব শীঘ্রই আসন বিন্যাসের কাজও শুরু হবে। সম্প্রতি মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষের ইস্তফা এবং বর্তমান প্রশাসনিক অচলাবস্থার কারণেই দ্রুত নির্বাচন করানোর এই পদক্ষেপ বলে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলের ধারণা। একইসঙ্গে আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে মেয়াদ শেষ হতে চলা শিলিগুড়ি পুরনিগমের ভোটও এগিয়ে এনে মহকুমা পরিষদের সঙ্গেই করানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে খবর।

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিভিন্ন স্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী একাধিক জনপ্রতিনিধি ইস্তফা দিয়েছেন। ২০২৭ সাল পর্যন্ত মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও গত ২২ জুন শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সভাধিপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন অরুণ ঘোষ। নিয়ম অনুযায়ী সহকারী সভাধিপতি রোমা রেশমি এক্কাকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা থাকলেও, প্রশাসন এখনও সেই বিষয়ে কোনও ঘোষণা করেনি। এমনকি শিলিগুড়ি পুরনিগমের মতো এখানে কোনও প্রশাসকও বসানো হয়নি। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশাসনের তদারকিতেই মহকুমা পরিষদের কাজ চলছে।

এক প্রশাসনিক আধিকারিকের কথায়, ‘মহকুমা পরিষদের দায়িত্ব আপাতত প্রশাসনের হাতেই রয়েছে। তবে সেখানে প্রশাসক বসানো হয়নি। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ভোট করানোর পরিকল্পনা থাকতে পারে।’

সূত্রের খবর, সহকারী সভাধিপতি রোমার হাতে দায়িত্ব গেলে পরোক্ষে মহকুমা পরিষদের ক্ষমতা তৃণমূলের হাতেই থাকবে বলে মনে করছেন বিজেপি নেতাদের একাংশ। তাই তাঁকে দায়িত্ব দিতে অনীহা রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। এদিকে, অলিখিতভাবে মহকুমা পরিষদের দায়িত্ব এখন বিরোধী দলনেতা বিজেপির অজয় ওরাওঁ সামলাচ্ছেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, তাঁর নির্দেশেই বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ কোথায় হবে তা ঠিক হচ্ছে। তাছাড়া বাকি সদস্যদের সঙ্গে কোনও আলোচনাই করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। ফলে নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

যদিও মহকুমা পরিষদের কার্যনির্বাহী আধিকারিক মানবেন্দ্র দেবনাথ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘নাগরিক পরিষেবা সচল রয়েছে। সরকারি কর্মীরা তাঁদের দায়িত্ব পালন করছেন। সমস্যা হলে সবাই দেখছেন।’

মহকুমা পরিষদের নির্বাচন এগিয়ে আনার জল্পনা প্রসঙ্গে বিজেপি জানিয়েছে, তারা দলবদল করিয়ে ক্ষমতা দখলের পক্ষপাতী নয়, বরং গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসতে চায় দল। মহকুমা পরিষদের বিরোধী দলনেতা অজয় বললেন, ‘বোর্ড চালাতে না পারাটা তৃণমূলের ব্যর্থতা। আমরা তো আর তাঁদের পদ ছাড়তে বলিনি। ভোট এগিয়ে আনা হলে সেটা পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের বিষয়।’

অন্যদিকে, তৃণমূলের পালটা অভিযোগ, অগণতান্ত্রিক উপায়ে বোর্ড ভাঙার চেষ্টা হয়েছে। ভোট এগিয়ে আনার চেষ্টাও সেই চক্রান্তেরই অঙ্গ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *