Shubhendu Adhikari | কাটমানি নয়, এবার বিদেশি বিনিয়োগই মূলমন্ত্র! শিল্পায়নের নতুন ব্লু-প্রিন্ট শুভেন্দুর

Shubhendu Adhikari | কাটমানি নয়, এবার বিদেশি বিনিয়োগই মূলমন্ত্র! শিল্পায়নের নতুন ব্লু-প্রিন্ট শুভেন্দুর

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: দীর্ঘ কয়েক দশকের শিল্প-খরা কাটিয়ে এবার বিশ্বমঞ্চে বাংলার নাম উজ্জ্বল করতে কোমর বেঁধে নেমেছে বর্তমান রাজ্য সরকার। ডানকুনিতে এক শিল্প প্রকল্পের শিলান্যাস করতে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Shubhendu Adhikari) স্পষ্ট করে দিলেন, বাংলার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবার তাঁর লক্ষ্য প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI)।

শিল্পায়নের পথে হাঁটতে গিয়ে দীর্ঘদিনের ‘তোলাবাজি ও কাটমানি’র সংস্কৃতিকে ঝেড়ে ফেলার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, বাংলাকে আবার ভারতের বিনিয়োগ গন্তব্যে পরিণত করাই লক্ষ্য। রাজ্যে ৮ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা থাকলেও, রাজস্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাকে স্বাবলম্বী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। ১০০ কোটির বেশি বিনিয়োগকারী সংস্থাগুলির জন্য সহজ অনুমোদনের ব্যবস্থা এবং ৫০০০ কোটি টাকার বিশেষ শিল্প বাজেট—এই উদ্যোগগুলিকে শিল্পমহলে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শুধুমাত্র সরকারি চাকরির ওপর নির্ভর না করে, বেকারত্ব দূর করতে বেসরকারি বিনিয়োগ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির ওপর জোর দিয়েছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘‘শুধু সরকারি চাকরি দিয়ে বেকারত্ব দূর করা যায় না। তার জন্য বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের প্রয়োজন। এ ছাড়াও আমরা চাই রাজ্যে লক্ষ লক্ষ ভাল ব্যবসায়ী তৈরি করব। তার জন্য সরকারের তরফে কম সুদে ঋণ দেওয়া হবে।’’ তিনি আরও জানান, সরকারের নতুন জমি নীতি এবং ঋণ সহায়তার মাধ্যমে রাজ্যে লক্ষ লক্ষ নতুন ব্যবসায়ী তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও বৈদেশিক বিনিয়োগের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি দাবি করেন, টাটা, রিলায়্যান্স, আদানি থেকে শুরু করে জার্মানি বা ইজরায়েলের বিনিয়োগকারীরাও এবার বাংলার দরজায় কড়া নাড়ছেন। এমনকি, মিউনিখ ও সিলিকন ভ্যালি থেকেও বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে, শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের কথায়, ‘‘বাংলায় আবার শিল্পের জোয়ার ফিরিয়ে আনাই সরকারের লক্ষ্য। অতীতে রাজ্য ছেড়ে যাওয়া শিল্পপতিদেরও প্রয়োজনে অনুরোধ করে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। নতুন শিল্প গড়ে উঠলে রাজ্যের শ্রমিকদের আর কাজের খোঁজে বাইরে যেতে হবে না।’’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি নবান্নে জাপানি সংস্থা মিৎসুবিশির সাথে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় এবং অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের। সেই বৈঠকেই নাকি পশ্চিমবঙ্গে সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট গড়ার প্রস্তাব উঠে এসেছে। ফলত, এই ঘটনাপ্রবাহ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বাংলার শিল্প মানচিত্রে হয়তো এক নতুন যুগের (Industrial Revival) সূচনা হতে চলেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *