Shiv Sena Celebration Break up | তৃণমূলের পর এবার উদ্ধবের শিব সেনা! চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি পৌঁছে স্পিকারকে চিঠি বিদ্রোহীদের

Shiv Sena Celebration Break up | তৃণমূলের পর এবার উদ্ধবের শিব সেনা! চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি পৌঁছে স্পিকারকে চিঠি বিদ্রোহীদের

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: রাজনৈতিক মহলের জল্পনাকে সত্যি করে শেষ পর্যন্ত ভাঙল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা (Shiv Sena Celebration Break up)! তৃণমূলের ধাঁচেই দল ভাঙার খেলায় এবার নামল মহারাষ্ট্রের শাসক দলের একাংশ। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে নাটকীয় কায়দায় একযোগে চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি পৌঁছে লোকসভার ৬ জন সাংসদ স্পিকার ওম বিড়লার কাছে একনাথ শিণ্ডের (Eknath Shinde) দলের সঙ্গে মিশে যাওয়ার আর্জি জানালেন। এই ঘটনায় উদ্ধব শিবিরের অন্দরে প্রবল অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।

গত বেশ কিছুদিন ধরেই উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) নেতৃত্বাধীন শিব সেনায় বড়সড়ো ভাঙনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। আদিত্য ঠাকরের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি এবং উদ্ধবের তলব করা বৈঠকে অধিকাংশ সাংসদের গরহাজিরায় জল্পনা আরও ঘনীভূত হয়। মঙ্গলবার রাতে সেই জল্পনা বাস্তবের রূপ নেয়। সঞ্জয় দিনা পাটিল, সঞ্জয় দেশমুখ, নাগেশ পাটিল, ওমরাজে নিম্বলকর, ভৌসাহেব ওয়াকচৌর এবং সঞ্জয় যাদব—এই ছয় সাংসদ মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চার্টার্ড ফ্লাইটে দিল্লি এসে পৌঁছান। রাজধানীতে এসেই তাঁরা একনাথ শিণ্ডের পুত্র শ্রীকান্ত শিণ্ডে এবং খোদ একনাথ শিণ্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন।

সূত্রের দাবি, ওই বৈঠকে দল ভাঙার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। শিব সেনার মোট ৯ জন সাংসদের মধ্যে ৬ জন, অর্থাৎ দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য একযোগে শিণ্ডে সেনার সঙ্গে দল মিশিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন। সেই চিঠি ইতিমধ্যেই স্পিকার ওম বিড়লার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যদিও স্পিকার এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিলমোহর দেননি, তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিজেপির পরিকল্পনামাফিক ‘অপারেশন টাইগার’ সফল হওয়ার পথে।

বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, উদ্ধব ঠাকরে গোপনে দলকে কংগ্রেসের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, যা শিব সেনার আদর্শের পরিপন্থী। তাই অস্তিত্ব রক্ষায় শিণ্ডে শিবিরের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ ছিল না। অন্যদিকে, এই পরিস্থিতিতে হাত গুটিয়ে বসে নেই উদ্ধব শিবির। বিক্ষুব্ধ ওই ৬ সাংসদকে শোকজ নোটিশ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। উদ্ধব শিবিরের হুঁশিয়ারি, সাত দিনের মধ্যে সদুত্তর না পেলে স্পিকারের কাছে ওই সাংসদদের সদস্যপদ বাতিলের আবেদন জানানো হবে।

এখন দেখার বিষয়, স্পিকার ওম বিড়লা এই দলবদলের আবেদনে কবে সবুজ সংকেত দেন। এই ঘটনার পর মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে উদ্ধব ঠাকরের প্রভাব কতটা বজায় থাকে, নাকি একনাথ শিণ্ডের উত্থান সম্পূর্ণভাবে পাল্টে দেয় রাজনৈতিক সমীকরণ, তা নিয়ে এখন তুঙ্গে জল্পনা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *