Shalkumarhat | পুজোর আগেই মাথায় হাত! শালকুমারহাটে ধানক্ষেতে বুনো হাতি ও শুয়োরের তাণ্ডব

ব্লগ/BLOG
Spread the love


শালকুমারহাট: দুর্গাপুজোর আর মাত্র ক’দিন বাকি। কৃষকদের খেতের ধানে সবেমাত্র শিষ ধরতে শুরু করেছে। ঠিক এই সুসময়ের মুখেই আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) ১ ব্লকের শালকুমারহাটের (Shalkumarhat) নেপালিবস্তিতে শুরু হয়েছে বুনো হাতি ও শুয়োরের ভয়াবহ উৎপাত। এলাকাটি জলদাপাড়া বনাঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ায় গভীর জঙ্গল থেকে প্রায় রাতেই খাবারের খোঁজে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে বন্যপ্রাণীর দল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে দফায় দফায় বুনোদের তাণ্ডব (Elephant Assault) দেখেছে নেপালিবস্তি। প্রথমে গভীর রাতে তিনটি হাতির একটি দল এবং তাদের ঠিক পেছনেই ৬-৭টি বুনো শুয়োরের দল গ্রামে ঢুকে পড়ে। তবে স্বস্তির বিষয় যে, এই হামলায় কারও ঘরবাড়ির কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কিন্তু পুজোর মুখে চাষের জমির ধান নষ্ট হওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এলাকার চাষিরা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই মুহূর্তে চাষের জমিতে শুধুই পেকে ওঠার অপেক্ষায় থাকা ধান রয়েছে। ফলে এলাকার প্রায় ১০-১১ জনের বিঘা বিঘা জমির ধানখেতে এই তাণ্ডব চালায় বন্যপ্রাণীরা। এক প্রান্তে হাতির দল হামলা চালায়, আর অন্য প্রান্তে শুয়োরের দল ধান গাছের কচি শিষ ও ধান খেয়ে সাবাড় করে দেয়। শুধু খাওয়া নয়, হাতির দল পুরো খেত জুড়ে দাপিয়ে বেড়ানোয় বহু ধান গাছ পায়ের নিচে পিষে নষ্ট হয়ে গেছে।

ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই গ্রাম যৌথ বন পরিচালন কমিটি (JFMC)-র অধীন হওয়া সত্ত্বেও গ্রামে সুরক্ষার জন্য কোনো ওয়াচ টাওয়ার নেই। বুনোদের হাত থেকে ফসল ও নিজেদের জীবন বাঁচাতে দ্রুত গ্রামে ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণের দাবি তুলেছেন তাঁরা।

অন্যদিকে, পুরো ঘটনাটি নিয়ে বন দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার রাতে খবর পাওয়ার পরেই বনকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দু’দফাতেই হাতির দলকে সফলভাবে জঙ্গলে তাড়িয়ে দেন। এলাকার সুরক্ষায় বন দপ্তরের নজরদারি আরও বাড়ানো হচ্ছে এবং নিয়ম মেনে সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত চাষিকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *