Saokat Molla | গ্রেপ্তারের পর এলাকায় হাঁটিয়ে ঘোরানো! মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে হাইকোর্টে শওকত মোল্লা

Saokat Molla | গ্রেপ্তারের পর এলাকায় হাঁটিয়ে ঘোরানো! মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে হাইকোর্টে শওকত মোল্লা

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: গ্রেপ্তার হওয়ার পর পুলিশি হেপাজতে থাকাকালীন এলাকায় হাঁটিয়ে ঘোরানোর ঘটনায় তীব্র বিতর্ক। এবার এই ঘটনার জেরে পুলিশের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Excessive Courtroom) দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla)। বৃহস্পতিবার ভাঙড়ের জীবনতলা এলাকায় তাঁকে যেভাবে হাঁটিয়ে ঘোরানো হয়েছিল, তা নিয়েই শুরু হয়েছে আইনি লড়াই। মামলার অনুমিত দিয়েছে হাইকোর্ট।

ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা বর্তমানে ভাঙড়ে বিস্ফোরণ সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে পুলিশের হেপাজতে রয়েছেন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভাঙড়ের দক্ষিণ বামুনিয়া এলাকায় বোমা বাঁধার সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল শওকতের। পরবর্তীকালে এই বিস্ফোরণের তদন্তভার নেয় NIA। এই মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে অন্য একটি মামলায় জীবনতলা থানার পুলিশ তাঁকে নিজেদের হেপাজতে নেয়। এই হেপাজতে থাকাকালীনই বৃহস্পতিবার তাঁকে জীবনতলা বাজারে প্রকাশ্য রাস্তায় হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

তৃণমূল নেতার আইনজীবীদের দাবি, একজন নাগরিক হিসেবে শওকত মোল্লারও মানবাধিকার রয়েছে। কোনো বিচারাধীন বন্দিকে পুলিশি পাহারায় এভাবে জনসমক্ষে হাঁটিয়ে ঘোরানো তাঁর মর্যাদাহানি করেছে এবং এটি মানবাধিকারের চূড়ান্ত লঙ্ঘন। এই বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই শওকতের আইনজীবীরা দ্রুত কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আদালত সেই মামলার অনুমতিও দিয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে লড়াই করেছিলেন শওকত মোল্লা। কিন্তু আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকির কাছে তাঁকে বড় ব্যবধানে হার স্বীকার করতে হয়েছিল। নির্বাচনের আগে থেকেই ভাঙড়ের উত্তপ্ত পরিস্থিতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন শওকত। এখন বিস্ফোরণকাণ্ডে গ্রেপ্তারির পর তাঁর এই আইনি লড়াইকে কেন্দ্র করে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

একজন প্রাক্তন বিধায়ককে এভাবে জনসমক্ষে হাঁটিয়ে ঘোরানো কি আইনসম্মত? পুলিশের এই পদক্ষেপের পিছনে কি কোনো নির্দিষ্ট কৌশল ছিল, নাকি এটি ক্ষমতার অপপ্রয়োগ? সেই উত্তরই এখন খুঁজছে রাজনৈতিক মহল। হাইকোর্টের পরবর্তী শুনানিতে এই মামলার রায় কোন দিকে যায়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে ভাঙড়ের মানুষ। এখন দেখার বিষয়, আদালত এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার ওপর কোনো পর্যবেক্ষণ দেয় কি না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *