Regardless of an alliance in Delhi, relations between Left and TMC haven’t improved within the west bengal

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


রাজ্যে তৃণমূলের হারের পর বাম, অতি বাম-সহ বিজেপি বিরোধী সব পক্ষকে একত্রিত হওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় রাজ্যের বাম নেতৃত্ব তাঁর আবেদনকে পত্রপাট খারিজ করেন। প্রথম থেকেই বামেদের বক্তব্য ছিল, দিল্লিতে ‘ইন্ডি’ জোটে যাই হোক না কেন, রাজ্যে তৃণমূলের সঙ্গে জোটের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। বঙ্গে বিজেপি বিরোধী লড়াই তৃণমূলকে ছাড়াই লড়বে বামেরা। রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী শিবিরের সমাবেশের আগেও এই নিয়ে শুরু হল নতুন রাজনৈতিক ‘বিতণ্ডা’। দিল্লিতে ইন্ডি জোটের সমাবেশের আগে বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী ফের একবার নিজেদের অবস্থান মনে করিয়ে দেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, দিল্লিতে যাই হোক, তৃণমূলের সঙ্গে রাজ্যে কোনও আপস করবেন না তাঁরা। সুজনের এই মন্তব্যের সমালোচনায় সরব কালীঘাট শিবির। রামলীলা ময়দানে বিরোধী শিবিরের কর্মসূচির আগে এই নিয়ে অস্বস্তিতে ‘ইন্ডি’ জোট।

ভারতের নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির রামলীলা ময়দানে একত্রিত হয়েছে ইন্ডিয়া ব্লক। এই কর্মসূচির নেতৃত্বে রয়েছে কংগ্রেস। আর কংগ্রেসের হাত ধরেই আন্দোলনের ময়দানে ভেসে থাকতে চাইছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে রয়েছেন বাম, কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্বও। সেখান থেকেই তৃণমূলকে বিঁধে সুজন চক্রবর্তীর মন্তব্য ভালোভাবে নিচ্ছে না কালীঘাট শিবির। কালীঘাট তৃণমূল নেতা তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ এবিষয়ে বলেন, ” এই ধরনের কোনও মন্তব্য করার আগে ভেবে দেখা উচিত। শুধু জাতীয় স্তরে কোনও ঐক্য হতে পারে না। সময়ের দাবিতে যদি দিল্লিতে এক হওয়া যায়, তাহলে রাজ্যে নয় কেন?” কোনও শর্ত নিয়ে বামেরা তৃণমূলের সঙ্গে একমঞ্চে দাঁড়ালে তা কতটা ফলপ্রসূ হবে সেই প্রশ্নই তোলেন কুণাল।

আরও পড়ুন:

সম্পতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে চিঠি লেখেন সিপিএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই বামেদের সঙ্গে তৃণমূলের নয়া সমীকরণ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। এই আবহে মনে করা হয়েছিল, বঙ্গের বাম নেতৃত্ব মমতাকে নিয়ে সুর নরম করবেন। কিন্তু তা হয়নি। উলটে নিজেদের অবস্থানেই অনড় থেকেছেন তাঁরা। তৃণমূল ও বামেদের ‘নতুন সমীকরণ’কে কটাক্ষ করেন বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ। তিনি বলেন, “তৃণমূল ও সিপিএমের গটবন্ধন নতুন কিছু নয়। এই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে তাঁরা একে অপরকে হত্যা করেছে। কিন্তু কোনও পক্ষই অপর পক্ষকে জেলে পাঠায়নি। বর্তমান সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বার্তা দিচ্ছেন।”

অন্যদিকে, দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধীদের কর্মসূচি নিয়ে কটাক্ষ করেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তার প্রশ্ন, এত ময়দান থাকতে কেন রামলীলা ময়দানকেই বেছে নিল বিরোধীরা ? তাঁর কথায়, “বিরোধীরা রামকে ঘৃণা করে। আর সেই রামলীলা ময়দানেই তাঁরা জড়ো হচ্ছেন। আর সেখানে বিরোধীদের ভবলীলা সাঙ্গ হবে।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *