Calcutta HC directs to one-week deadline for probe into unlawful blood transport

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


ব্লাড ব্যাঙ্ক নিয়ে আপাতত তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। তবে সেই তদন্ত শেষ করতে হবে আগামী এক সপ্তাহে। বুধবার এই সংক্রান্ত মামলায় স্পষ্ট নির্দেশিকা কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের।

সম্প্রতি রক্তদান শিবির নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসে। তাতে দেখা যায়, নির্দিষ্ট বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি রক্তদান শিবির থেকে রক্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়া লোহিত রক্তকণিকা এবং প্লাজমা ভিনরাজ্যে বিক্রি করে টাকা উপার্জন করা হচ্ছে। কমপক্ষে ১১টি ব্লাড ব্যাঙ্কের দিকে আঙুল ওঠে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতি স্বাস্থ্য আধিকারিকরা তদন্তে নামে। নানা বেনিয়ম নজরে আসে। তদন্ত শুরু হয়। একটি ব্লাড ব্যাঙ্কের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যদপ্তরের ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলের তরফে রক্ত সংগ্রহের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বলা হয় কলকাতার এন্টালি, যোধপুর পার্ক, আলিপুর রোড, পদ্মপুকুর, বেলেঘাটা ছাড়াও হাওড়া, কৃষ্ণনগর, রায়গঞ্জ, পূর্ব বর্ধমান, অন্ডালের বেসরকারি ব্লাডব্যাঙ্ক থেকে আপাতত রক্ত সংগ্রহ করা যাবে না। সেই নির্দেশিকার পর জল গড়ায় কলকাতা হাই কোর্টে। যদিও পরে সে নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:

বুধবার ওই মামলারই শুনানি ছিল। তাতেই এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের ডেডলাইন বেঁধে দেয় হাই কোর্ট। এদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বেনিয়মের সঙ্গে যুক্তদের কড়া বার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, ব্লাড ব্যাঙ্কের সঙ্গে বহু মানুষের রুজিরুটিও নির্ভরশীল। সামনে উৎসবের মরশুম। তাই সরকার নির্দেশিকা প্রত্যাহারের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সরকারের মানবিক সিদ্ধান্তকে যাতে কেউ দুর্বলতা ভেবে না নেয়, তা স্পষ্ট জানান তিনি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্তে কোন তথ্য সামনে আসে, সেটাই এখন দেখার।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *