Recipe | চাল-ডালের সঙ্গে যুক্ত হোক ‘গাছ পাঁঠা’, বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু এঁচোড়ের খিচুড়ি

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: বর্ষার মেঘলা দুপুরে ধোঁয়া ওঠা খিচুড়ির জুরি মেলা ভার। তবে একঘেয়ে চাল-ডালের বাইরে গিয়ে স্বাদে একটু বৈচিত্র্য আনতে বেছে নিতে পারেন ‘গাছ পাঁঠা’ বা এঁচোড়। নিরামিষ কিংবা আমিষ—যেকোনও পদকে টেক্কা দিতে পারে এই বিশেষ ‘এঁচোড়ের খিচুড়ি’। কম খরচে ঘরোয়া উপাদানেই বানিয়ে ফেলা যায় এই রাজকীয় পদ (Recipe)।

প্রয়োজনীয় উপকরণ

প্রধান উপকরণ: গোবিন্দভোগ চাল ২৫০ গ্রাম, সোনা মুগ ডাল ২৫০ গ্রাম, ডুমো করে কাটা এঁচোড় ৩০০ গ্রাম, মাঝারি আলু ২টি।

মশলা ও ফোড়ন: আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, জিরে গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো ও কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো ১ চা চামচ করে, চেরা কাঁচা লংকা ৪-৫টি। ফোড়নের জন্য তেজপাতা, শুকনো লংকা, গোটা জিরে ও গোটা গরম মশলা।

অন্যান্য: গাওয়া ঘি ২ টেবিল চামচ, সরষের তেল, নুন ও চিনি স্বাদমতো।

প্রস্তুত প্রণালী

প্রেশার কুকারে নুন-হলুদ দিয়ে এঁচোড় একটি সিটি দিয়ে ভাপিয়ে জল ঝরিয়ে নিন। শুকনো কড়াইতে সোনা মুগ ডাল লালচে করে ভেজে ধুয়ে রাখুন। গোবিন্দভোগ চালও ধুয়ে জল ঝরাতে দিন। কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করে ভাপানো এঁচোড় ও আলু নুন-হলুদ দিয়ে ভেজে তুলে নিন।

এরপর ওই তেলেই গোটা মশলা ফোড়ন দিয়ে গন্ধ বেরোলে আদা বাটা, জিরে, হলুদ ও লংকা গুঁড়ো সামান্য জলে গুলে কষিয়ে নিন। কষানো মশলায় আলু, এঁচোড়, ভাজা ডাল ও চাল দিয়ে মাঝারি আঁচে ২-৩ মিনিট নেড়ে নিন। ৬. এবার অন্য পাত্রে ফোটানো গরম জল, নুন ও কাঁচা লংকা মিশিয়ে মিশ্রণটি সেদ্ধ হতে দিন। খিচুড়ি মাখামাখা হয়ে চাল-ডাল সেদ্ধ হলে সামান্য চিনি, ওপর থেকে গাওয়া ঘি ও গরম মশলা গুঁড়ো ছড়িয়ে আঁচ বন্ধ করে ৫ মিনিট ঢেকে রাখুন।

গরম গরম এঁচোড়ের খিচুড়ির সঙ্গে বেগুন ভাজা, আলুর পরিবেশন করলেই তৈরি জমজমাট ভূরিভোজ!



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *