Rani Mukerji | মা হওয়ার পর বদলে গিয়েছে জীবনের লক্ষ্য! বলিউডে রানির ৩০ বছর, কী বললেন অভিনেত্রী?

Rani Mukerji | মা হওয়ার পর বদলে গিয়েছে জীবনের লক্ষ্য! বলিউডে রানির ৩০ বছর, কী বললেন অভিনেত্রী?

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বিনোদন জগতের ঝলমলে আলোয় তিন দশক। ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর টিনএজ হার্টথ্রব থেকে ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’-এর লড়াকু মা— রানি মুখোপাধ্যায়ের (Rani Mukerji) উত্তরণ এক দীর্ঘ মহাকাব্য। অভিনয়ের ৩০ বছর পূর্ণ (30 Years of Rani) করে এক দীর্ঘ ও আবেগঘন বার্তায় নিজের রূপোলি পথচলা, বিয়ে, মাতৃত্ব এবং প্রথম জাতীয় পুরস্কার (Nationwide Award) জয়ের অনুভূতি ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী।

বিয়ে ও মাতৃত্ব (Marriage and motherhood):দলে যাওয়া অগ্রাধিকার রানির মতে, বিয়ে এবং মা হওয়ার পর তাঁর ক্যারিয়ারের গতি কমেনি, বরং তাঁর লক্ষ্য আরও সুনির্দিষ্ট হয়েছে। তিনি লিখেছেন, “বিয়ে এবং মাতৃত্ব আমাকে বদলে দিয়েছে। এটা আমাকে শ্লথ করেনি, বরং আমার ফোকাস আরও তীক্ষ্ণ করেছে। আমি এখন অনেক বেশি বাছন্দার হয়েছি এবং নিজের শক্তির অপচয় রোধ করতে শিখেছি। আমি কেমন কাজ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যেতে চাই, তা নিয়ে এখন আমি অনেক বেশি সচেতন।”

‘হিচকি’ ও ‘মিসেস চ্যাটার্জি’: নতুন উপলব্ধির গল্প রানির ক্যারিয়ারের অন্যতম বাঁক ‘হিচকি’ এবং ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’। ট্যুরেট সিনড্রোমে আক্রান্ত শিক্ষিকার চরিত্রটি করার সময় তিনি সহমর্মিতার গভীর অর্থ বুঝেছিলেন। অন্যদিকে, নরওয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে এক মায়ের লড়াই তাঁকে এনে দিয়েছে জীবনের প্রথম জাতীয় পুরস্কার। রানি মনে করেন, তিনি মা হওয়ার পরই সম্ভবত এই চরিত্রের জন্য যোগ্য হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর কথায়, “মহাবিশ্ব হয়তো আমার জাতীয় পুরস্কারটি মা হওয়ার পরের জন্যই তুলে রেখেছিল। কারণ একজন মা তাঁর সন্তানের জন্য কতটা লড়াই করতে পারেন, তা এখন আমি অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করি।”

অনুরাগী ও আগামীর পথ ৩০ বছর পরেও নিজেকে একজন নতুনের (Newcomer) মতো মনে করেন রানি। নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে এবং জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে তিনি আজও সমান উৎসাহী। নিজের সাফল্যের সমস্ত কৃতিত্ব অনুরাগী ও দর্শকদের দিয়ে রানি বলেন, “তোমাদের ভালোবাসা ছাড়া আমি কিছুই হতাম না। এই মেয়েটি থেকে নারী হয়ে ওঠার যাত্রায় পাশে থাকার জন্য সকলকে আমার বিনম্র শ্রদ্ধা।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *