Rajpal Yadav | কোটি কোটি টাকার ঋণে জর্জরিত অভিনেতা রাজপাল যাদব, এবার নিলামে পৈতৃক বাড়ি?

Rajpal Yadav | কোটি কোটি টাকার ঋণে জর্জরিত অভিনেতা রাজপাল যাদব, এবার নিলামে পৈতৃক বাড়ি?

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: বলিউডের (Bollywood) জনপ্রিয় কৌতুকাভিনেতা রাজপাল যাদবের (Rajpal Yadav) আইনি ও আর্থিক জটিলতা যেন কাটছেই না। ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাঁর শাহজাহানপুরের পৈতৃক বাড়ি সহ দুটি সম্পত্তির ওপর প্রায় ১৬.৬১ কোটি টাকার একটি সংযুক্তি নোটিশ জারি করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, ব্যাংক সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বকেয়া ঋণ পরিশোধ করা না হলে তাঁর দুটি সম্পত্তি নিলামে (Public sale) বিক্রি করা হতে পারে। এমনকি আগামী ৯ সেপ্টেম্বর এই নিলামের তারিখও ধার্য করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

অভিনেতা রাজপাল যাদব তাঁর স্ত্রী রাধা যাদব এবং মা গোদাবরীর নামে মুম্বইয়ের একটি ব্যাংকের শাখা থেকে মোট ১৬.৬১ কোটি টাকার এই ঋণ গ্রহণ করেছিলেন। ২০১০ সালে তাঁর পরিচালিত ছবি ‘আতা পাতা লাপাত্তা’ নির্মাণের জন্যই মূলত এই ৫ কোটি টাকার ঋণ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বক্স অফিসে ছবিটি মুখ থুবড়ে পড়ায় সময়মতো ঋণের টাকা শোধ করতে ব্যর্থ হন অভিনেতা। যার জেরে সুদে-মূলে ঋণের পরিমাণ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।

এদিকে সম্পত্তি নিলামের এই সমস্ত রিপোর্ট ঘিরে শোরগোল শুরু হলেও, রাজপাল যাদবের দাদা শ্রীপাল যাদব দাবি করেছেন যে এই খবরটি মূলত দু’বছর আগের পুরোনো একটি বিষয়। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ব্যাংকের সঙ্গে ঋণ শোধের বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। বর্তমানে সম্পত্তি নিলামের মতো কোনো পরিস্থিতি নেই।

অন্যদিকে, ব্যাংকের ম্যানেজার অনুজ বর্মাও এই বিষয়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, শাহজাহানপুরের কুন্দ্রা গ্রামে অবস্থিত ওই সম্পত্তির ওপর নোটিশ ঝোলানো হয়েছে ঠিকই, তবে ব্যাংক প্রায় দু’বছর আগেও একই বিষয়ে নোটিশ দিয়েছিল। সেই সময় রাজপাল যাদব ও ব্যাংকের মধ্যে ঋণ পরিশোধ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা বা চুক্তিও হয়েছিল।

ঋণ সংক্রান্ত জটিলতার পাশাপাশি একাধিক চেক বাউন্স মামলাতেও আইনি বিপাকে পড়েছেন অভিনেতা। এর আগে ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাজপাল ও তাঁর স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করে। ২০১৯ সালে সেশন কোর্টও সেই সাজা বহাল রাখে। ২০২৪ সালের জুনে হাইকোর্ট সেই সাজা সাময়িকভাবে স্থগিত করে প্রায় ৯ কোটি টাকার বকেয়া ঋণ মেটানোর নির্দেশ দেয়।

পরবর্তীতে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি তিহাড় জেলে যান এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মুক্ত হন। এছাড়া চেক বাউন্স সংক্রান্ত সাতটি পৃথক মামলায় গত ৭ জুলাই দিল্লি হাইকোর্ট তাঁকে তিন মাসের কারাদণ্ড এবং মোট ৭.৩৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এর আগে তিনি প্রায় ২ কোটি টাকা পরিশোধ করেছেন যা মোট পরিমাণ থেকে বাদ যাবে। সব মিলিয়ে আইনি জালে জড়িয়ে পড়েছেন রাজপাল যাদব।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *