রায়গঞ্জ: ভিনরাজ্য থেকে কাজ সেরে বাড়ি ফেরার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই প্রাণ গেল এক তরুণের। শনিবার সকালে রায়গঞ্জ (Raiganj) থানার পিপলান গ্রাম থেকে ২২ বছর বয়সী দিব্যেন্দু দাস ওরফে চন্দনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় ৩ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।
মৃত চন্দন পেশায় নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন এবং ব্যাঙ্গালোরে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের দাবি, শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি বাড়িতে ফেরেন। খাওয়া-দাওয়ার পর বন্ধুদের সাথে দেখা করার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। কিন্তু এরপর সারারাত তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তাঁর কোনো হদিশ পাননি। শনিবার সকালে বাড়ির অদূরেই স্থানীয়রা তাঁর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
খবর পাওয়ার সাথে সাথেই রায়গঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মৃতদেহের পাশ থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক সামগ্রী, যার মধ্যে ইনজেকশনের সিরিঞ্জও রয়েছে, তা উদ্ধার করেছে পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। শনিবার বিকেলে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
মৃতের মামা মনোজ বিশ্বাস বলেন, “আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমার ভাগ্নের বন্ধুরাই ভাগ্নেকে খুন (Homicide) করেছে। মৃতদেহ সৎকারের পরেই রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করব।”
রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার ডাঃ সোনাওয়ানে কুলদীপ সুরেশ জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর আসল কারণ এবং ঘটনার মোটিভ পরিষ্কার হবে।

