Raiganj | পুলিশের সঙ্গে অভব্য আচরণ, রায়গঞ্জে ধৃত ভুয়ো খাদ্য আধিকারিক  

Raiganj | পুলিশের সঙ্গে অভব্য আচরণ, রায়গঞ্জে ধৃত ভুয়ো খাদ্য আধিকারিক  

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


বিশ্বজিৎ সরকার, রায়গঞ্জ: মদ্যপ অবস্থায় কর্তব্যরত পুলিশের সঙ্গে অভব্য আচরণ করার অভিযোগে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করল রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। ঘটনার সময় অভিযুক্ত তরুণ নিজেকে খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক বলে পরিচয় দেন। যদিও প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, তাঁর ওই পরিচয় ভুয়ো। তিনি আদৌ কোনও সরকারি চাকরি করেন কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে রায়গঞ্জ শহরের বন্দর এলাকা থেকে ওই তরুণকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। অভিযুক্তের নাম মোশারফ হোসেন। তাঁর বাড়ি রায়গঞ্জ থানার মহিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বসিয়ান গ্রামে। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইনের নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। রবিবার বিকেলে রায়গঞ্জ মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাঁকে তোলা হলে বিচারক শর্তসাপেক্ষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।

রায়গঞ্জ জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী তথা অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটর নীলাদ্রি সরকার বলেন, ‘অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইনের নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। বিচারক অভিযুক্তকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছেন।’

পুলিশের দাবি, শনিবার গভীর রাতে রায়গঞ্জের বন্দর বাজার এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছিলেন মোশারফ। মদ্যপ অবস্থায় ঘুরতে দেখে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি পুলিশের সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন বলে অভিযোগ। শুধু তা-ই নয়, নিজেকে খাদ্য দপ্তরের সাব-ইনস্পেকটর বলে দাবি করে দাদাগিরিও দেখান বলে অভিযোগ। পুলিশ তাঁকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে জেলা খাদ্য দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, ওই নামে আদৌ কোনও সরকারি কর্মী খাদ্য দপ্তরে নেই। তবে তিনি খাদ্য দপ্তরের সঙ্গে অন্য কোনওভাবে যুক্ত কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের বাবা আনিসুর রহমান ছিলেন বসিয়ান এলাকার র‍্যাশন ডিলার। আনিসুরের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী র‍্যাশন ডিলারের কাজ সামলাচ্ছেন। তাঁদের দুই ছেলের মধ্যে মোশারফ বেশিরভাগ সময় রায়গঞ্জেই থাকেন। বিভিন্ন নেশায় আসক্ত হয়ে  দামি মোটরবাইক ও বিলাসবহুল গাড়িতে চলাফেরা করার পাশাপাশি নিজেকে খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক বলে ভুয়ো পরিচয় দেন। গ্রামবাসীরাই জানাচ্ছেন, রায়গঞ্জের একাধিক দুষ্কৃতীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

রায়গঞ্জ জেলা আদালতের আইনজীবী রোহিত দাস বলেন, ‘অভিযুক্ত ওই তরুণ জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরেও নিজেকে রায়গঞ্জ খাদ্য দপ্তরের সাব-ইনস্পেকটর বলে দাবি করেছেন।’পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে রায়গঞ্জ পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *