PoK | পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে বিদ্রোহের ২৪তম দিন: ‘স্বাধীনতা’র ডাক দিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরব আন্দোলনকারীরা!

PoK | পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে বিদ্রোহের ২৪তম দিন: ‘স্বাধীনতা’র ডাক দিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরব আন্দোলনকারীরা!

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে (PoK) সরকারবিরোধী বিক্ষোভ যেন আগ্নেয়গিরির আকার ধারণ করেছে। আন্দোলনের ২৪তম দিনে রাওলাকোটের (Rawalakot) ঈদগাহ ময়দানে প্রায় ৮০ হাজার মানুষ জড়ো হয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন। জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (JAAC) নেতা সর্দার আমান খান সরাসরি পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর দিকে আঙুল তুলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন।

বিক্ষোভ মঞ্চ থেকে সর্দার আমান খান অভিযোগ করেন, পাকিস্তান সরকার এখন স্থানীয়দের ‘সন্ত্রাসবাদী’ আখ্যা দিলেও, প্রকৃতপক্ষে এই অঞ্চলে তারাই অস্ত্র সরবরাহ করেছিল। আমান খান বলেন, “পাকিস্তান সেনাবাহিনীই কাশ্মীরিদের হাতে বন্দুক তুলে দিয়েছিল। আর আজ তারাই আমাদের সন্ত্রাসবাদী বলার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে।”

তিনি গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে জইশ-ই-মহম্মদের একটি সশস্ত্র র‍্যালির কথা উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন, কেন সেই সময় রাওলাকোটের ডেপুটি কমিশনার প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মিছিলের অনুমতি ও নিরাপত্তা দিয়েছিলেন? তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, এখানকার সাধারণ মানুষই এই ভূমির প্রকৃত উত্তরাধিকারী।

আন্দোলনকারীদের ৩৮ দফা দাবি না মানলে এই আন্দোলন যে আরও বড় রূপ নিতে চলেছে, সে বিষয়ে ইসলামাবাদকে সতর্ক করেছেন নেতারা। সর্দার আমান খান সাফ জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হলে এই আন্দোলন কেবল আঞ্চলিক থাকবে না, তা পূর্ণাঙ্গ ‘পাকিস্তান ত্যাগের’ আন্দোলনে পরিণত হবে। শুধু তাই নয়, রাওলাকোটের বিক্ষোভে একাধিক বক্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, পাক-অধিকৃত কাশ্মীর পাকিস্তানের কোনো অংশ নয় এবং এর চেয়েও বেশি প্রয়োজন পাকিস্তানের এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা।

পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে, বিক্ষোভকারীরা সরাসরি ইসলামাবাদকে সতর্ক করে বলেছেন, তারা ভারতের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্কের পথ খোঁজার কথাও ভাবছেন। পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে আসার এই হুঙ্কার আন্তর্জাতিক মহলেও বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উল্লেখ্য, এই বিক্ষোভ কেবল রাওলাকোটের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই; বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী কাশ্মীরিরাও পাকিস্তানের কূটনৈতিক মিশনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। পাক প্রশাসনের কঠোর দমন-পীড়ন সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের এই অনমনীয় অবস্থান পাকিস্তান সরকারের ওপর বড়সড় রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *