PM Modi apology video controversy | মোদিকে কটূক্তির ভিডিও ভাইরাল হতেই ক্ষমা প্রার্থনা! কী বলল নাবালিকা?

PM Modi apology video controversy | মোদিকে কটূক্তির ভিডিও ভাইরাল হতেই ক্ষমা প্রার্থনা! কী বলল নাবালিকা?

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনের সময় কুরুচিকর ভাষা প্রয়োগের অভিযোগে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে আসা সেই ‘কিশোরী’ এবার ক্ষমা চেয়ে (PM Modi apology video controversy) একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটিতে (ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি উত্তরবঙ্গ সংবাদ) হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। পুলিশি এফআইআরে তাঁর বয়স ২৫ বছর বলে উল্লেখ করা হলেও, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে নিজেকে ১৫ বছরের নাবালিকা বলে দাবি করেছেন সে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে হাতজোড় করে তাকে বলতে শোনা যায়, “আন্দোলনে কিছু মানুষের প্ররোচনায় পড়ে আমি প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে অনেক খারাপ কথা বলে ফেলেছি।” এফআইআরের বয়ানের ঠিক উল্টো পথে হেঁটে তিনি দাবি করেন, তাঁর বয়স মাত্র ১৫ বছর। কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, “আমি কেবল ১৫ বছরের এক কিশোরী। আমি যা করেছি তা ক্ষমার অযোগ্য। আমি পুরো দেশের কাছে ক্ষমা চাইছি। আমার এই কাজের জন্য আমি অত্যন্ত লজ্জিত। দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিন। এটি আমার জীবনের প্রথম এবং শেষ ভুল।”

উল্লেখ্য, গত বুধবার নয়ডার একটি থানায় নাবালিকার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। প্রথমে একটি জিরো এফআইআর (Zero FIR) দায়ের করা হলেও পরে তা দিল্লির সংসদ মার্গ থানায় স্থানান্তরিত করা হয়। অভিযোগকারীর মতে, সেই মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করেছে এবং সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চক্রান্ত ছিল।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) সাম্প্রতিক একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই নাবালিকার এই ক্ষমা চাওয়ার ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসে। শুক্রবার রাতে পোস্ট করা ওই ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী সংযম ও ক্ষমার বার্তা দিয়েছিলেন। ছাত্র আন্দোলনের সময় তাঁর এবং তাঁর প্রয়াত মায়ের বিরুদ্ধে কুরুচিকর স্লোগান দেওয়ার তীব্র সমালোচনা করলেও মোদি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, “গালিগালাজ দিয়ে কখনো কোনো সমস্যার সমাধান হয় না।”

ভুল সংশোধন করার সুযোগ দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে শাস্তির বদলে সঠিক পথ দেখানোর আর্জি জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, “যন্তরমন্তরে যা ঘটেছে তা দেশ ও বিশ্ব দেখেছে। কিছু বিভ্রান্ত যুবক এমন ভাষা ব্যবহার করেছে যা কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে আমি তাঁদের ক্ষমা করতে চাই এবং সমাজকেও এই একই পথ অনুসরণের অনুরোধ জানাচ্ছি।” প্রধানমন্ত্রীর এই মহানুভবতার বার্তার পরই নাবালিকার এমন ক্ষমা চাওয়ার দৃশ্য শোরগোল ফেলে দিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *