Pellet Gun | ‘দেশের ভবিষ্যতের ওপর গুলি চালিয়েছে সরকার’, দিল্লিতে পেলেট বিদ্ধ ছাত্রের পাশে দাঁড়িয়ে সরব রাহুল!

Pellet Gun | ‘দেশের ভবিষ্যতের ওপর গুলি চালিয়েছে সরকার’, দিল্লিতে পেলেট বিদ্ধ ছাত্রের পাশে দাঁড়িয়ে সরব রাহুল!

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের ওপর ‘পেলেট বন্দুক’ (Pellet Gun) ব্যবহারের বিস্ফোরক অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি। শুক্রবার রাজধানীতে পেলেট বিদ্ধ এক ১৯ বছর বয়সী ছাত্রকে পাশে রেখে কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। স্পষ্ট প্রমাণ দেখিয়ে তিনি দাবি করেন, “সরকারের অবিলম্বে মিথ্যা বলা বন্ধ করা উচিত।”

গত ২০ জুলাই দিল্লিতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ছাত্র সংগঠনগুলির বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশি লাঠিচার্জ ও পেলেট বন্দুক চালানোর অভিযোগ ওঠে। যদিও দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্র সরকার শুরু থেকেই পেলেট বন্দুক ব্যবহারের কথা অস্বীকার করে আসছে, কিন্তু একাধিক আহত ছাত্রের চিকিৎসায় শরীরে পেলেটের ক্ষতের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে।

শুক্রবার দিল্লির নজফগড়ের বাসিন্দা, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্কুল অব ওপেন লার্নিং’ (SOL)-এর চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র সাহিল লোচাবকে (১৯) সংবাদমাধ্যমের সামনে নিয়ে আসেন রাহুল গান্ধী। সেখানে প্রকাশ্যে সাহিলের গেঞ্জি তুলে তাঁর মুখ, হাত ও শরীরের একাধিক জায়গায় পেলেটের আঘাত ও গভীর ক্ষত সাংবাদিকদের দেখান তিনি।

রাহুল গান্ধী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকার প্রতিনিয়ত দাবি করছে কোনো পেলেট চালানো হয়নি। কিন্তু এই দেখুন প্রত্যক্ষ প্রমাণ! সরকার দেশের ভবিষ্যৎ ও যুবসমাজের ওপর গুলি চালিয়েছে। যারা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জ ও গুলি ছুড়েছে, তাদের কঠোর শাস্তি হতে হবে।”

জানা গিয়েছে, আন্দোলনের সময় জাতীয় পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থাতেই সাহিলের চোখে ও শরীরে পেলেট এসে লাগে। উল্লেখ্য, পারিবারিক আর্থিক অনটনের কারণে বাবার সঙ্গে গাড়ি চালানোর কাজ করার পাশাপাশি দিল্লি পুলিশের হেড কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা এবং এসএসসি-সিজিএল (SSC-CGL)-এর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সাহিল।

এদিন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরাসরি আক্রমণ করে তাঁর অবিলম্বে পদত্যাগ ও বরখাস্তের দাবি জানান রাহুল। তিনি বলেন, “যাঁরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে ন্যায় চাইতে রাজপথে নেমেছিলেন, তাঁদের ওপর হামলা চালানো হলো। শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য দায়ী শিক্ষামন্ত্রীকে অবিলম্বে বরখাস্ত করতে হবে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সাহিলদের মতো হাজারো পীড়িত ছাত্রের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *