উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যক্তিগত জীবনে একের পর এক ঝড় ঝাপটা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন গায়ক পলাশ মুছল। স্মৃতি মন্ধানার সঙ্গে বিয়ে ভাঙার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার (Palash Muchhal Fraud Controversy) গুরুতর অভিযোগ উঠল। সিনেমা তৈরির নাম করে সাংলির এক প্রযোজকের থেকে ৪০ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দেওয়ার অভিযোগে এখন পুলিশের খাতায় নাম উঠল পলাশের।
অভিযোগকারী প্রযোজক বৈভব মানে সাংলির বাসিন্দা এবং ভারতীয় ক্রিকেটার স্মৃতি মন্ধানার শৈশবের বন্ধু। জানা গিয়েছে, স্মৃতির বাবা শ্রীনিবাস মন্ধানাই পলাশের (Palash Muchhal Fraud Case) সঙ্গে বৈভবের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। সম্পর্কের খাতিরেই বৈভব ‘নজরিয়া’ নামক একটি সিনেমা তৈরির জন্য ২০২৪ সালে পলাশকে ৪০ লক্ষ টাকা দেন। কিছু টাকা নগদে এবং বাকিটা কিস্তিতে অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে পলাশকে দেওয়া হয়েছিল।
বৈভবের দাবি, পলাশ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে সিনেমাটির কাজ শেষ করে দ্রুত ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি দেওয়া হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ছবির পোস্টারও শেয়ার করেছিলেন গায়ক। কিন্তু দীর্ঘ দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও সিনেমার কোনও হদিস মেলেনি। বৈভব যখন সিনেমার আপডেট এবং তাঁর টাকা ফেরত চান, তখন শুরু হয় টালবাহানা। প্রথমে পলাশ ফোন ধরলেও পরে বৈভবকে সমস্ত যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ব্লক করে দেন বলে অভিযোগ।
গত নভেম্বরেই স্মৃতি ও পলাশের বিয়ের কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, পলাশের প্রেম-বহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানতে পেরে বিয়ের মাত্র দু’দিন আগে সরে আসেন স্মৃতি (Smriti Mandhana)। বিয়ের জট কাটতে না কাটতেই এখন এই আর্থিক কেলেঙ্কারি পলাশের ভাবমূর্তিকে আরও কালিমালিপ্ত করল। সাংলি থানার পুলিশ ইতিমধ্যে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে। পলাশের ‘প্রতারণার স্বভাব’ নিয়ে এখন সব মহলেই চর্চা তুঙ্গে।
