Pakistan Military Camp Assault | পাক সেনাছাউনিতে হামলা, মৃত অন্তত ১৫ সেনা, দায় স্বাকীর টিটিপি-র 

Pakistan Military Camp Assault | পাক সেনাছাউনিতে হামলা, মৃত অন্তত ১৫ সেনা, দায় স্বাকীর টিটিপি-র 

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: আবারও বড় জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হলো পাকিস্তান (Pakistan Military Camp Assault)। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বাজৌরের একটি সেনাছাউনিতে আত্মঘাতী হামলা চালাল কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন ‘তেহরিক-ই-তালিবান-পাকিস্তান’ (TTP)। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এই হামলায় অন্ততপক্ষে ১৫ জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও অনেকে, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, শুক্রবার আচমকাই বাজৌরের ওই সেনাছাউনিতে হানা দেয় জঙ্গিরা। প্রথম লাইনে থাকা আত্মঘাতী জঙ্গিরা আচমকা সেনাছাউনির ভেতরে ঢুকে পর পর ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় মুহূর্তের মধ্যে গোটা ছাউনিতে হুড়োহুড়ি এবং বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। ঠিক সেই সুযোগটাই কাজে লাগায় বাকি জঙ্গিরা। বিভ্রান্তির সুযোগ নিয়ে ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত জঙ্গিরা ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং সেনাদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। আচমকা এই জোড়া ফলায় পাল্টা জবাব দেওয়ার সুযোগটুকুও পায়নি ছাউনিতে থাকা সেনারা।

রক্তাক্ত এই অভিযানের পর পরই টিটিপি-র স্পেশ্যাল ইস্তশাহাদি ফোর্সেস (SIF) আনুষ্ঠানিকভাবে হামলার দায় স্বীকার করেছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে কোয়েটা প্রদেশে হামলার পর এই প্রথম বাজৌরের সেনাছাউনিতে সরাসরি এত বড় আত্মঘাতী হামলার দায় নিল টিটিপি। খাইবার পাখতুনখোয়ার এই বাজৌর এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গিদের মূল ‘আঁতুড়ঘর’ হিসেবে পরিচিত। শুক্রবারের এই রক্তক্ষয়ী ঘটনার পর গোটা এলাকাজুড়ে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করেছে পাকিস্তান সেনা। শুরু হয়েছে চিরুনি তল্লাশি।

উল্লেখ্য, এক সপ্তাহের মধ্যে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার বড় ধরনের আত্মঘাতী হামলা হলো। এর আগে গত মঙ্গলবারই এই প্রদেশের লক্কী মরবত জেলার নৌরঙ্গ বাজারে একটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটে, যাতে দুই পুলিশকর্মী সহ বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছিল। একের পর এক এই হামলায় পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *