Oman drone strike | ওমানে ড্রোন হামলায় ২ ভারতীয়র মৃত্যু, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ভারতের জ্বালানি নিয়ে কী জানাল কেন্দ্র?

Oman drone strike | ওমানে ড্রোন হামলায় ২ ভারতীয়র মৃত্যু, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ভারতের জ্বালানি নিয়ে কী জানাল কেন্দ্র?

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আঁচ এবার ওমানে (Oman drone strike)। ওমানের সোহর শহরে ভয়াবহ ড্রোন হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই ভারতীয়। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন ভারতীয় সহ ১১ জন। শুক্রবার বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। একদিকে যখন সংঘর্ষের আবহে প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক তখনই দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করল ভারত সরকার।

ওমানে প্রাণহানি ও উদ্ধারকাজ

বিদেশ মন্ত্রকের উপসাগরীয় বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অসীম মহাজন জানিয়েছেন, ওমানের মাস্কাটের কাছে সোহর শহরের আল-আওয়াহি শিল্প এলাকায় একটি ড্রোন আছড়ে পড়লে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহত ১১ জনের মধ্যে ১০ জনই ভারতীয়। তাদের মধ্যে পাঁচজন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন এবং বাকিরা চিকিৎসাধীন থাকলেও তাঁরা আশঙ্কামুক্ত। ভারতীয় দূতাবাস নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং স্থানীয় সংস্থা ও প্রশাসনের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও এই খবর নিশ্চিত করেছেন ৷

প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

উপসাগরীয় দেশগুলোতে বহু ভারতীয় কর্মরত। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত সরকার তৎপর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ইতিমধ্যেই ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও (S Jaishankar) আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের নিরাপত্তা নিয়ে ইরানি প্রতিপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। খবর মিলেছে যে, ইরান থেকে প্রায় ১৭০ জন ভারতীয় স্থলপথে আর্মেনিয়া হয়ে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জালানি ও রান্নার গ্যাস নিয়ে বড় আপডেট

পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতার কারণে ভারতে পেট্রোল, ডিজেল বা এলপিজি-র সংকট হতে পারে বলে যে গুজব ছড়িয়েছে, তা সজোরে প্রত্যাখ্যান করেছে কেন্দ্র। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছেন, ভারতের শোধনাগারগুলো পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করছে এবং অপরিশোধিত তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, আতঙ্কে মানুষ অতিরিক্ত এলপিজি বুকিং শুরু করেছে। স্বাভাবিক সময়ে দিনে ৫০ লক্ষ সিলিন্ডার বুকিং হলেও বর্তমানে তা ৭০-৮০ লক্ষে পৌঁছেছে। সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, দেশে রান্নার গ্যাসের কোনো অভাব নেই এবং মজুতদারি রুখতে রাজ্যগুলোতে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। নাগরিকদের আতঙ্কিত হয়ে বাড়তি বুকিং না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *