North Bengal Tourism | টানা ১২ দিনের পুজোর ছুটি! পর্যটকের অপেক্ষায় ডুয়ার্স, বুকিং নিয়ে কী বলছেন ব্যবসায়ীরা?

শিক্ষা
Spread the love


শুভদীপ শর্মা, লাটাগুড়ি: টানা ১২ দিন সরকারি ছুটি। ফলে, এবার পুজোয় উত্তরবঙ্গের পর্যটনশিল্পে (North Bengal Tourism) তার ব্যাপক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞরা। শেষবার ২০২৩ সালে এমনই টানা ১২ দিনের সরকারি পুজোর ছুটি (Puja Trip) ছিল রাজ্যে। করোনা অতিমারির মার কাটিয়ে সেবার দেদার ব্যবসা হয়েছিল। পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্সে উপচে পড়েছিল ভ্রমণপ্রিয়দের ভিড়। এবছরও তার পুনরাবৃত্তির সব রকম লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

এখনও অবশ্য সেভাবে পুজোর বুকিং শুরু হয়নি। ইতিমধ্যে পর্যটকদের মধ্যে ডুয়ার্স (Dooars) ঘিরে আগ্রহের ছবি স্পষ্ট। ট্যুর অপারেটর, রিসর্ট সংগঠন ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতিদিন খোঁজ করে আসছে ফোন। ডুয়ার্স ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্লব দে-র বক্তব্য, ‘ডুয়ার্সের পাশাপাশি পাহাড় নিয়েও পর্যটকদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। তবে, জঙ্গল খোলার সময়টা পুজোর মরশুমের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় ডুয়ার্স বাড়তি সুবিধা পেতে পারে।’

এদিকে, পুজোর দিনগুলোর জন্য এখনও ট্রেনের টিকিট কাটা যাচ্ছে না। সাধারণত ৬০ দিন আগে থেকে অনলাইনে রিজার্ভড টিকিট কাটার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফলে, এখনও দুই-তিনদিন রয়েছে হাতে। ব্যবসায়ীদের আশা, পুজোর সময়কার রেলের টিকিট কাটা শুরু হলেই ডুয়ার্সের হোটেল, রিসর্ট ও হোমস্টেগুলিতে বুকিং বাড়তে শুরু করবে। ডুয়ার্স ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট ফোরামের সম্পাদক দিব্যেন্দু দেব বলেন, ‘অন্য বছরের তুলনায় এবার পর্যটকদের মধ্যে ডুয়ার্স নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। পুজোর আগে রেল স্পেশাল ট্রেন দিলে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’

পর্যটন ব্যবসায়ীদের একাংশ জানাচ্ছেন, বিভিন্ন কারণে গত কয়েক বছরে সেভাবে লাভের মুখ দেখেনি ডুয়ার্স। পর্যটকদের সংখ্যায় অনেকটা ভাটা পড়েছে। আর সরাসরি তার প্রভাব পড়েছে লাটাগুড়ি, মূর্তি, চালসা, মালবাজার সহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে। তাই এবছরে পুজোর ছুটিকে ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছেন অনেকেই। দক্ষিণবঙ্গ সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটকরা উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও ডুয়ার্সমুখী হবেন বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। লাটাগুড়ি রিসর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে রাজাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এখনও বুকিং শুরু হয়নি। তবে পর্যটকদের প্রচুর এনকোয়ারি রয়েছে।’

টিকিট হাতে পাওয়ার পরই পর্যটকদের একটা বড় অংশ থাকার জায়গা চূড়ান্ত করেন। তাই এখনই হোটেল-রিসর্ট বুকিংয়ের চূড়ান্ত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। তবে, পর্যটকদের স্বাগত জানাতে এখন বিভিন্ন রিসর্ট ও হোমস্টে সাজিয়ে তোলার কাজ চলছে। পরিষেবা আরও উন্নত করা এবং পর্যটকদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজও শুরু হয়েছে জোরকদমে। একইসঙ্গে পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন ট্যুর প্যাকেজ নিয়েও পরিকল্পনা করছেন অপারেটররা। শুধু বেসরকারি রিসর্ট নয়, সরকারি বনবাংলোও পর্যটকদের উপযুক্ত করে তোলার তোড়জোড় চলছে। বনমন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ বলেন, ‘বিভিন্ন বনবাংলোর পরিকাঠামো ও পরিষেবা যাতে পর্যটকদের উপযোগী করে তোলা যায়, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *