প্রতিবাদে মিলায় দুই বাংলা। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে শুক্রবার রাতে কলকাতার রাজপথে এহেন দৃশ্যই লেন্সবন্দি হল। যেখানে নারী নিরাপত্তার জন্য সওয়াল করে অগ্নিমিত্রা পাল, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তদের সঙ্গে মিছিলে হাঁটলেন জয়া আহসানও। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের হত্যার স্মৃতিতে বাংলাদেশজুড়ে পালিত হয় জাতীয় শোক দিবস। তার আগের রাতেই কলকাতায় বাংলার সিনে-সংস্কৃতিমহলের বিশিষ্টদের সঙ্গে পা মেলাতে দেখা গেল ওপার বাংলার অভিনেত্রীকে।
রাতের কলকাতায় যে নারীদের জন্য নিরাপদ, সেই বার্তা দিতেই এই মিছিলের আয়োজন। সেখানে শামিল হয়েই প্রশংসা কুড়োলেন জয়া আহসান।
আরও পড়ুন:
কণ্ঠে ‘কারার ওই লৌহকপাট…’। পরনে সালোয়ার। হাসিমুখে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চৈতি ঘোষাল, ইন্দ্রাণী হালদার, ইমন চক্রবর্তী থেকে কেয়া ঘোষ, পুরপ্রশাসক স্মিতা পাণ্ডেদের সঙ্গে রাতদখলে শামিল হলেন জয়া আহসান। বাংলাদেশের অভিনেত্রী হলেও এপার বাংলায় অভিনেত্রীর গুণমুগ্ধের সংখ্যা নেহাত কম নয়। সিনেমার শুটিং কিংবা প্রচার সংক্রান্ত কাজে মাঝেমধ্যেই কলকাতায় থাকেন জয়া। সম্প্রতি তাঁর অভিনীত ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এবার ঋতুপর্ণা, ইমন, চৈতীদের সঙ্গে তাঁকে রাতদখলে শামিল হতে দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনুরাগীরা। ওপার বাংলার অভিনেত্রীকে মিছিলে পা মেলাতে দেখে যদিও একাংশের ভ্রু-যুগল আন্দোলিত হয়েছে! তবে তিলোত্তমায় মহিলাদের স্বাধীনতা উদযাপনে জয়া আহসানের উপস্থিতি ইতিমধ্যেই চর্চার শিরোনামে।

ক্ষমতায় আসার পর থেকে নারী-নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দিয়েছে বিজেপি সরকার। মহিলাদের অপমান-অবমাননা বরদাস্ত নয় বলে হুঙ্কার দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার রাতে সেই প্রেক্ষিতেই মেয়েদের পথে নামার ডাক দিয়েছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। ১৪ আগস্ট রাত ন’টা নাগাদ বালিগঞ্জ শিক্ষাসদন থেকে শুরু হয় মিছিল। ভায়া গোলপার্ক হয়ে আবারও বালিগঞ্জ শিক্ষাসদনে ফেরেন সকলে। এই রাতদখল ঘিরে নারীদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। গান গাইতে দেখা যায় ইমন, পৌষালী, ঋদ্ধিদের। রাতের কলকাতায় যে নারীদের জন্য নিরাপদ, সেই বার্তা দিতেই এই মিছিলের আয়োজন। সেখানে শামিল হয়েই প্রশংসা কুড়োলেন জয়া আহসান।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
