Nisith Pramanik | বাংলার ক্রীড়ামন্ত্রী পদে রদবদল: নিশীথ প্রামাণিকের জায়গায় নতুন দায়িত্ব পেলেন ইন্দ্রনীল খাঁ

Nisith Pramanik | বাংলার ক্রীড়ামন্ত্রী পদে রদবদল: নিশীথ প্রামাণিকের জায়গায় নতুন দায়িত্ব পেলেন ইন্দ্রনীল খাঁ

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রীসভার দপ্তর বণ্টনে এল বড়সড় পরিবর্তন। বিজেপির সরকার (BJP Govt) গঠনের পর এতদিন ক্রীড়াদপ্তরের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন মাথাভাঙার বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। তবে সাম্প্রতিক রদবদলে ক্রীড়াদপ্তরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হলেন বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক ডা. ইন্দ্রনীল খাঁ (Dr Indranil Khan)। ক্রীড়ার পাশাপাশি যুবকল্যাণ ও ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরেরও স্বাধীন দায়িত্ব সামলাবেন তিনি।

নিশীথ প্রামাণিক ক্রীড়ামন্ত্রী (Sports activities Minister) হিসেবে ২৮ দিনের সংক্ষিপ্ত কার্যকালেই একাধিক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। অলিম্পিক ও এশিয়া স্তরের ক্রীড়াবিদদের জন্য পুরস্কার মূল্য বাড়িয়ে অলিম্পিক পদকজয়ীদের জন্য ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিলেন তিনি। এছাড়া যুবভারতী স্টেডিয়ামের সামনে মূর্তি বিতর্ক এবং মেসি-কাণ্ডের ফাইল খোলার মতো সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে তিনি রাজ্যজুড়ে চর্চায় ছিলেন। তবে ক্রীড়াদপ্তরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেলেও নিশীথ প্রামাণিক এখন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং জলসম্পদ তদন্ত ও উন্নয়ন দপ্তরের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন।

অন্যদিকে, নতুন মন্ত্রীসভায় শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিজেপি নেতা দীপক বর্মন স্কুল শিক্ষাদপ্তরের পাশাপাশি আবাসন ও ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্প দপ্তরের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। অর্থমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাবেন স্বপন দাশগুপ্ত। স্বাস্থ্যদপ্তরে থাকছেন ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তর পেয়েছেন তাপস রায়। শ্রম ও পর্যটন দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন অর্জুন সিং।

তবে স্বরাষ্ট্র, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব, বিদ্যুৎ এবং তথ্য ও সংস্কৃতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলি নিজের হাতেই রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই বিন্যাসে প্রশাসন ও সংগঠনের মধ্যে সমন্বয় এবং কাজের গতি বাড়ানোই সরকারের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে ক্রীড়াক্ষেত্রকে রাজনীতিমুক্ত রাখার যে প্রক্রিয়া নিশীথ প্রামাণিক শুরু করেছিলেন, ডা. ইন্দ্রনীল খাঁ সেই ধারা বজায় রাখতে পারেন কি না, এখন সেটাই দেখার। প্রশাসনিক এই রদবদল নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *