Nepal Tibet Border Girung Catastrophe | হড়পা বানে মুহূর্তে নিশ্চিহ্ন নেপাল-তিব্বত সীমান্তের অভিবাসন দপ্তর, অবশেষে পৌঁছোল চিনের বিশেষ উদ্ধারকারী দল – Uttarbanga Sambad

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ পাহাড়, গভীর জঙ্গল ও উপত্যকার দুর্গম পথ অতিক্রম করে অবশেষে নেপাল-তিব্বত সীমান্তের ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গিরং অভিবাসন দপ্তরে পৌঁছোল চিনের ২১ জনের একটি বিশেষ উদ্ধারকারী দল (Nepal Tibet Border Girung Catastrophe)। কাদা ও পাথরের বিশাল স্তূপ পেরিয়ে অনুসন্ধানের কাজে সঙ্গে আনা হয়েছে একটি প্রশিক্ষিত স্নাইফার ডগ। গত বুধবার সকালে হিমবাহ ধসের জেরে সৃষ্ট ভয়াবহ হড়পা বান নিমেষে গিলে ফেলেছিল সাদা রঙের ঝাঁ-চকচকে এই সরকারি বহুতলটিকে। হড়পা বানের জলস্রোত সরে যেতেই সেখানে এখন শুধুই ধ্বংসের ক্ষতচিহ্ন।

কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রীদের নথিপত্র পরীক্ষা ও ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য গিরং সীমান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত একটি চেকপয়েন্ট। ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার সকাল পৌনে ৯টা নাগাদ যখন প্রায় চার-পাঁচ তলা সমান কাদা, পাথর ও জলের বিশালাকার স্রোত অভিবাসন দপ্তরের ওপর আছড়ে পড়ে, তখন সেখানে প্রায় ১৩০ জন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অন্তত ৫০ জনেরও বেশি ভারতীয় তীর্থযাত্রী কৈলাস যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সেখানে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া শিউরে ওঠার মতো দৃশ্যে দেখা গিয়েছে, কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে আস্ত বহুতলটিকে নিশ্চিহ্ন করে দেয় পাহাড়ি বান।

উদ্ধারকারী দলের অন্যতম সদস্য জোউ মিঙ্কি জানিয়েছেন, মূল রাস্তাঘাট হড়পা বানে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ায় ঘুরপথে বহু বাধা কাটিয়ে তাঁদের গিরঙে পৌঁছোতে হয়েছে। ভোটেকোশী নদীর পাশেই যেখানে ভবনটি দাঁড়িয়ে ছিল, এখন সেখানে কিছু নেই। দেখে মনে হচ্ছে বিশাল কোনো শক্তি পুরো এলাকাকে পিষে রেখে চলে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, নেপালের রাসুয়া জেলায় ভোটেকোশী নদীতে হিমবাহ ধসের জেরে নামা এই ধ্বংসলীলায় শনিবার সকাল পর্যন্ত ৬১৬ জনের মৃৃত্যুর নিশ্চিত খবর দিয়েছে নেপাল পুলিশ। নিখোঁজের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে, যার মধ্যে একাধিক ভারতীয় নাগরিক ও পুণ্যার্থী রয়েছেন বলে খবর। কাদা ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে প্রাণের চিহ্ন খুঁজতে মরিয়া উদ্ধারকারীরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *