Nepal Flash Flood | নেপাল বিপর্যয়: চিনের আগাম সতর্কবার্তায় ঘটত না এত প্রাণহানি! কাঠমান্ডুর অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলল বেজিং

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: নেপালে (Nepal Flash Flood) হড়পায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৯। এই মর্মান্তিক বিপর্যয়ের নেপথ্যে চিনের তরফ থেকে আগাম কোনো সতর্কবার্তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল নেপালের বিভিন্ন মহল। আর এই বিতর্কের মাঝেই মুখ খুলল বেজিং (Beijing)। চিনের বক্তব্য, সহযোগিতা করলে প্রাণ বাঁচবে, অভিযোগ করে লাভ নেই।

নেপালের সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞদের একাংশের অভিযোগ ছিল, গ্লেসিয়ার লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড (GLOF) বা হিমবাহ সংক্রান্ত এই বিপদের পূর্বাভাস থাকলে বহু প্রাণ বাঁচানো যেত। এমনকি সীমান্ত এলাকার পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরেও ডাউনস্ট্রিম বা অববাহিকার মানুষকে সময়মতো সতর্ক করা হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেপালের ন্যাশনাল প্ল্যানিং কমিশনের প্রাক্তন ভাইস চেয়ারপার্সন গোবিন্দ রাজ পোখরেল। তাঁর মতে, চিন ও নেপাল উভয় পক্ষেই বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং এই ধরনের সংকট মোকাবিলায় দুই দেশের মধ্যে আরও উন্নত তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয় প্রয়োজন।

অন্যদিকে, চিনের দূতাবাস থেকে দেওয়া বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে, গত ২৬ অগাস্ট সকালে নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে একটি ভূমিকম্প বা ভূমিকম্প সদৃশ হিমবাহ ধস নামে। যার ফলেই বিশাল আকারের কাদাস্রোত ও হড়পা গ্যিরং-রসুয়াগড়ি সীমান্ত অঞ্চলে দু’দেশেই বড় ধরনের প্রাণহানি ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পারস্পরিক দোষারোপ না করে সহযোগিতাই যে জীবন বাঁচাতে পারে, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে বেজিং।

তবে আসল কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি। আন্তর্জাতিক উদয়গিরি ও পর্বত উন্নয়ন কেন্দ্র (ICIMOD)-এর জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমবাহ থেকে বরফ ও পাথরের চাঙড় খসে পড়েই এই আকস্মিক হড়পার সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে, নেপালের জলোলজি ও আবহাওয়া দপ্তর খতিয়ে দেখছে এটি কোনো গ্লেসিয়ার লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড কি না। এর আগে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক সার্ভে (USGS) সূত্রে কোনো ভূমিকম্পের প্রমাণ মেলেনি বলে জানানো হলেও, আকস্মিক এই বিপর্যয়ের আসল কারণ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে তদন্ত চলছে। যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় গ্যিরং পোর্টের উদ্ধারকাজও ব্যাহত হচ্ছে। সবমিলিয়ে, প্রাণহানির এই ঘটনায় দুই দেশের কূটনৈতিক স্তরে চাপানউতোর তীব্র আকার ধারণ করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *