NCP-Jamaat | জুলাই অভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ডদের’ জোটে জামাত! ভাঙনের মুখে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি

NCP-Jamaat | জুলাই অভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ডদের’ জোটে জামাত! ভাঙনের মুখে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে হতে চলা বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাল্টে গেল সব সমীকরণ। জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী ছাত্রনেতাদের গড়া ‘ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি’ (NCP) হাত মেলাল ইসলামপন্থী দল জামাতে ইসলামীর সঙ্গে! বাংলাদেশের জনৈক সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, রবিবার জামাতের আমির শফিকুর রহমান এই ১০ দলীয় জোটের ঘোষণা করেন, যা দেশের রাজনীতিতে এক বিশাল আলোড়ন ও অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের জন্ম দিয়েছে।

জোটের অংক ও নতুন মেরুকরণ

এই প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান জানান, এনসিপি এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (LDP) যুক্ত হওয়ায় তাদের বিদ্যমান ৮ দলীয় জোট এখন ১০ দলীয় জোটে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও জানান, এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের (Nahid Islam) সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে এবং রবিবার রাতেই ছাত্রনেতাদের এই দলটির পক্ষ থেকে জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

বিদ্রোহ ও পদত্যাগের হিড়িক

জামাতের সঙ্গে এই সখ্যতা মেনে নিতে পারছেন না এনসিপির অনেক শীর্ষ পর্যায়ের নেতা। গত এক সপ্তাহ ধরে দলটিতে পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে:

  • তাজনোভা জেবিন: এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক রবিবার বিকেলে পদত্যাগ করেছেন। ফেসবুকে তিনি একে ‘নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়ার চরম হতাশা’ বলে উল্লেখ করেছেন।
  • মীর আরশাদুল হক: গত ২৫ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন এই প্রভাবশালী নেতা, যিনি দলটির চট্টগ্রাম মহানগর শাখার প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন।
  • তাসনিম জারা: সিনিয়র যুগ্ম সদস্য-সচিব তাসনিম জারাও গত শনিবার পদত্যাগ করেছেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ার ঘোষণা করেছেন।

তবে এনসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির একটি বড় অংশ (প্রায় ১৭০ জন নেতা) এই নির্বাচনী সমঝোতাকে সমর্থন জানিয়েছেন। তাদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এটি একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত।

‘তরুণ রাজনীতির কবর’?

এই জোট নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের ফেসবুকে লিখেছেন, “এই জোটের মাধ্যমে এনসিপি কার্যত জামাতের গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এটি বাংলাদেশের তরুণ রাজনীতির কবর খোঁড়ার শামিল।”

উল্লেখ্য, এই এনসিপি নেতারাই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেই বিপ্লবী ছাত্রনেতারা এখন একাত্তরের বিতর্কিত ভূমিকার অধিকারী জামাতের সঙ্গে জোট করায় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *