Modi authorities spent Rs. 800.7 crore on the preparation of athletes for Asian Video games

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


আর কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। তার পরেই আইচি-নাগোয়ায় শুরু এশিয়ান গেমসের জমজমাট আসর। ৩৬টি ডিসিপ্লিনে নামতে ভারতের হয়ে জাপানে পৌঁছচ্ছেন ৫০১ জন অ্যাথলিট। তাঁদের মধ্যে অ্যাথলেটিক্সেই রেকর্ড সংখ্যক ৭৮ জন। তবে খেলোয়াড়ের সংখ্যার পাশাপাশি এবার এশিয়ান গেমসের আগে আলোচনায় ভারতের প্রস্তুতিতে মোদি সরকার কত খরচ করেছে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

ক্রীড়া মন্ত্রক এবং ‘টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম স্কিম’-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরের প্রস্তুতি পর্বে এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে খরচ হয়েছে প্রায় ৮০০.৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে মন্ত্রকের বাৎসরিক প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতা ক্যালেন্ডার-এর মাধ্যমে ব্যয় হয়েছে ৭০২.৮৬ কোটি টাকা। টিওপিএসের আওতায় খরচ হয়েছে আরও ৯৭.৮৪ কোটি। এই বিপুল অর্থের সবচেয়ে বড় অংশ গিয়েছে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়। প্রায় ২৫১.৪ কোটি টাকা, অর্থাৎ মোট ব্যয়ের প্রায় ৩৬ শতাংশ, খরচ হয়েছে ভারতীয় অ্যাথলিটদের বিদেশে পাঠিয়ে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করাতে। ঘরোয়া অনুশীলনের পাশাপাশি বিশ্বের সেরা প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে নিয়মিত প্রতিযোগিতার সুযোগ দেওয়াকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:

মোট ব্যয়ের প্রায় ৩৬ শতাংশ, খরচ হয়েছে ভারতীয় অ্যাথলিটদের বিদেশে পাঠিয়ে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করাতে। ঘরোয়া অনুশীলনের পাশাপাশি বিশ্বের সেরা প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে নিয়মিত প্রতিযোগিতার সুযোগ দেওয়াকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দেশের মাটিতে প্রশিক্ষণের জন্য খরচ হয়েছে ১১৮.৩ কোটি টাকা। অত্যাধুনিক ক্রীড়াসরঞ্জাম কেনার পিছনে ব্যয় হয়েছে ৮৯.২ কোটি। অ্যাথলিটদের প্রস্তুতিতে আরও পেশাদার পরিকাঠামো তৈরি করতে ৫০ জন বিদেশি কোচ ও টেকনিক্যাল ট্রেনারকেও যুক্ত করা হয়েছিল। তাঁদের জন্য বরাদ্দ ছিল ৮৬.৩ কোটি টাকা। শুধু কোচিং নয়, অ্যাথলিটদের জন্য তৈরি হয়েছে বড় সাপোর্ট সিস্টেমও। ২৬৫ সদস্যের সাপোর্ট স্টাফের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ছিলেন বায়োমেকানিক্স, পুষ্টিবিদ, ফিজিও এবং মানসিক স্বাস্থ্য-সহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ। লক্ষ্য, শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয়, খেলোয়াড়দের সামগ্রিক প্রস্তুতিকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাওয়া।

তবে এই বিপুল বিনিয়োগের লক্ষ্য শুধু জাপানের এশিয়ান গেমস নয়। সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় রয়েছে ২০৩২ সালের অলিম্পিকও। তারই অংশ হিসাবে এবারের ভারতীয় দলে জায়গা পেয়েছেন ৬৫ জন ‘খেলো ইন্ডিয়া’ অ্যাথলিট। তৃণমূল স্তর থেকে উঠে আসা এই তরুণদের বড় আন্তর্জাতিক মঞ্চে সুযোগ দেওয়াকে ভবিষ্যতের ভারতীয় ক্রীড়া-ভিত গড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অভিজ্ঞদের পাশাপাশি এবার ভারতীয় দলে থাকছেন এক ঝাঁক তরুণ প্রতিভাও। ১৫ বছর বয়সি ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশী দলের কনিষ্ঠতম সদস্য। তাঁর সঙ্গে স্কোয়াশের অনাহত সিং, ব্যাডমিন্টনের আয়ুশ শেট্টি এবং জুডোর অস্মিতা দে-র কাছ থেকে থাকছে পদক-প্রত্যাশা।

৩৬টি ডিসিপ্লিনে নামতে ভারতের হয়ে জাপানে পৌঁছচ্ছেন ৫০১ জন অ্যাথলিট। তাঁদের মধ্যে অ্যাথলেটিক্সেই রেকর্ড সংখ্যক ৭৮ জন।

হাংঝৌ এশিয়ান গেমসে ২৮টি সোনা, ৩৮টি রুপো এবং ৪০টি ব্রোঞ্জ-সহ মোট ১০৬টি পদক জিতে ইতিহাস গড়েছিল ভারত। এখন সেই সংখ্যা ছাপিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য। উল্লেখ্য, অলিম্পিকের তুলনায়ও বেশি সংখ্যক ক্রীড়াবিদের অংশগ্রহণ করে এশিয়ান গেমসে। এবার ৪৫টি দেশের ১১ হাজারেরও বেশি ক্রীড়াবিদ অংশ নেবেন। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকে অংশ নিয়েছিলেন ১০,৭০০ অ্যাথলিট। আইচি-নাগোয়ায় এশিয়ান গেমস শুরু হবে ১৯ সেপ্টেম্বর। চলবে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত। তার আগে প্রবল বর্ষণ উদ্বেগ তৈরি করলেও আয়োজকদের বিশ্বাস, নির্ধারিত সূচি মেনেই হবে প্রতিযোগিতা। ভারতীয় অ্যাথলিটদের ১৬ সেপ্টেম্বর জাপান রওনা হওয়ার কথা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *