Mock Parliament | আইনি প্যাঁচে মক পার্লামেন্টে কাটছাঁট, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে হটাতে অনড় ‘ইন্ডিয়া’ জোট

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: আইনি জটিলতা ও সংসদ অবমাননার মতো আইনি বিতর্ক এড়াতে কংগ্রেসের নেতৃত্বে গঠিত বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র (India bloc) প্রতীকী সংসদ বা মক পার্লামেন্ট (Mock Parliament) কর্মসূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। দিল্লির মাটিতে শুক্রবারের এই নির্ধারিত কর্মসূচির নাম আগেই পালটে ‘পিপলস ইমপিচমেন্ট’ বা জন মহাবিযোগ করা হয়েছিল। সর্বশেষ তথ্যে জানা গিয়েছে, ওই আয়োজনে লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমার স্পিকারের দায়িত্ব পালন করলেও আর কাউকেই কোনও সাংবিধানিক পদাধিকারীর ভূমিকায় দেখা যাবে না। এমনকি, বিরোধীদের এই বিশেষ বৈঠকে কোনও ‘ট্রেজারি বেঞ্চ’ বা সরকারি পক্ষের প্রতীকী উপস্থিতি বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংসদের অমর্যাদা নিয়ে যাতে শাসক শিবির কোনও প্রশ্ন তুলতে না পারে, সেই কারণেই এই কৌশলগত রদবদল বলে কংগ্রেস সূত্রে খবর।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, মীরা কুমারের উপস্থিতিতেই ‘ভোটচুরি’ ও এসআইআর সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পেশ করা হবে। এরপর নির্ধারিত সময়জুড়ে বিরোধী শিবিরের হেভিওয়েট নেতারা জ্ঞানেশ কুমার এবং বর্তমান কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বক্তব্য রাখবেন। জানা যাচ্ছে, অভিযুক্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun Kharge)।

খাড়গের ১০ রাজাজি মার্গের সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে দলগুলির সাংসদ সংখ্যার অনুপাত মেনেই বক্তাদের সময় নির্ধারিত হয়েছে। কংগ্রেসের পরই সবচেয়ে বেশি সময় পাচ্ছে সমাজবাদী পার্টি, এবং এর ঠিক পরেই রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। জোড়াফুল শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে এই আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, কীর্তি আজাদ, মহুয়া মৈত্র এবং সাগরিকা ঘোষ। বিরোধী জোটের এই মেগা ‘জ্ঞানেশ-অপসারণ’ কর্মসূচিতে সবশেষে বক্তব্য রাখবেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)।

অন্যদিকে, ‘ইন্ডিয়া’ জোটের এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানাতে এবং বিরোধী সাংসদদের আচরণের বিরুদ্ধে সরব হতে নয়াদিল্লির এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টারে একটি পালটা ‘মক পার্লামেন্ট’ কর্মসূচি পালন করছে বিজেপি ঘনিষ্ঠ নাগরিক সংগঠন ‘সিটিজ়েনস ফর ডেমোক্রেসি’।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *