উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের দিনঘোষণার পরেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। বিশেষ করে নন্দীগ্রাম আসনে তৃণমূলের ‘কালীঘাট’ শিবির কাকে প্রার্থী করবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তুঙ্গে (Nandigram By-Election)। গুঞ্জন রয়েছে, এই কেন্দ্র থেকেই ফের লড়তে পারেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর এনিয়ে মমতাকে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
বৃহস্পতিবার সকালে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘উনি নন্দীগ্রামে আগেও হেরেছেন। ভবানীপুরেও হেরেছেন। উনি আর কোথায় কোথায় গিয়ে হারতে চান, ওনার ব্যাপার। উনিই এটা ভালো বলতে পারবেন।’ উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা। এমনকি সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনেও ভবানীপুর আসনে হেরে যান তিনি। সেই পুরোনো প্রসঙ্গ টেনেই খোঁচা দিয়েছেন দিলীপ।
অন্যদিকে, পালাবদলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল বর্তমানে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ ও ‘আসল তৃণমূল’—এই দুই শিবিরে বিভক্ত। ফলে আসন্ন উপনির্বাচনে দুই পক্ষ থেকেই আলাদা প্রার্থী দেওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে ঋতব্রত শিবিরের ঋজু দত্ত পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হলে তাঁরা আলাদা করে আর কাউকে লড়াবেন না। পাশাপাশি দিলীপ ঘোষের এই কটাক্ষের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ‘কালীঘাট’ তৃণমূলের কাউন্সিলর বৈশান্বর চট্টোপাধ্যায়। তিনি পালটা বলেন, ‘আমাদের দলের সিদ্ধান্ত দল নেবে। দিলীপবাবুকে আমাদের দল নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে না।’

