শুভ্রজিৎ বিশ্বাস, মেখলিগঞ্জ: মেখলিগঞ্জ (Mekhliganj) শহর থেকে রাজ্যের দীর্ঘতম সেতু জয়ীর দিকে চলে গিয়েছে অ্যাপ্রোচ রোড। সেই অ্যাপ্রোচ রোডের দক্ষিণে নিজতরফ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় ১০ একর জমিতে ইকো ট্যুরিজম ও বায়োডাইভার্সিটি পার্ক তৈরির কথা ঘোষণা হয় ২০২২ সালের শেষের দিকে। সে বছরই নভেম্বরে অ্যাপ্রোচ রোড সংলগ্ন এলাকায় জমি পরিদর্শনও করা হয়। এরপর তৎকালীন মহকুমা শাসক রামকুমার তামাং এই সংক্রান্ত বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছিলেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে। মেখলিগঞ্জ পুরসভার (Mekhliganj Municipality) তরফে কলকাতা গিয়ে তৎকালীন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে এই বিষয়ে জানানো হলেও তা ফলপ্রসূ হতে দেখা যায়নি।
চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালাবদলের পর মহকুমা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক তৈরি থেকে এসএনসিইউ-এর জন্য অর্থ বরাদ্দ, মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে সদর্থক ভূমিকা নিয়েছেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক দধিরাম রায়। তাই ফের ইকো ট্যুরিজম (Mekhliganj Eco Tourism Park Demand) ও বায়োডাইভার্সিটি পার্ক নিয়েও আশার আলো দেখছেন মেখলিগঞ্জবাসী। স্থানীয় রুদ্রদীপ গুহর কথায়, ‘বায়োডাইভার্সিটি ও ইকো ট্যুরিজম পার্ক তৈরি হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। যার ফলে বেকার তরুণ-তরুণীরা উপকৃত হবেন। নতুন বিধায়ক ভালো কাজ করছেন। এই বিষয়ে দৃষ্টি দিলে মানুষ উপকৃত হবে।’ একই সুর শোনা গিয়েছে আরেক বাসিন্দা রত্নাদিত্য দত্তের গলাতেও। তিনি বললেন, ‘মেখলিগঞ্জের মতো জায়গায় বায়োডাইভার্সিটি ও ইকো ট্যুরিজম পার্ক তৈরি হলে শুধু যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে তা নয়, মেখলিগঞ্জে পর্যটনশিল্প নতুন রূপ পাবে। তাই বিধায়কের কাছে অনুরোধ এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিলে মহকুমার শ্রীবৃদ্ধি হবে।’
মেখলিগঞ্জের বিধায়ক জানান, গতকালই এবিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, মেখলিগঞ্জকে উন্নয়নের সারিতে এগিয়ে আনাই মূল লক্ষ্য। তাঁর কথায়, ‘বিগত সরকারের তরফে যদি কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়ে থাকে সেটা দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাব।’

