Medipally | গভীর রাতে নগ্ন অবস্থায় দৌড়, এরপর মন্দিরের পুকুরে ঝাঁপ! প্রাক্তন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু ঘিরে রহস্য

Medipally | গভীর রাতে নগ্ন অবস্থায় দৌড়, এরপর মন্দিরের পুকুরে ঝাঁপ! প্রাক্তন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু ঘিরে রহস্য

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: তেলেঙ্গানার মেদিপাল্লি (Medipally) শহরে এক মর্মান্তিক ও রহস্যজনক ঘটনা প্রকাশ্যে এল। মাত্র ২৫ বছর বয়সী এক প্রাক্তন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজে তরুণীকে শেষ মুহূর্তে যে অবস্থায় দেখা গেছে, তাতে যেমন শোকের ছায়া নেমেছে, তেমনই তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত তরুণীর নাম তেজস্বিনী। অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়নগরমের বাসিন্দা এই তরুণী প্রায় ছ’মাস আগে বেঙ্গালুরুর একটি আইটি সংস্থা থেকে চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন। গত দু’মাস ধরে তিনি তাঁর মায়ের সঙ্গে মেদিপাল্লির পীরজাদিগুডায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।

ঘটনার দিন রাত আড়াইটে নাগাদ তেজস্বিনী ঘুমন্ত মায়ের ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকে দেন। সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা যায়, এরপরই তিনি নগ্ন অবস্থায় রাস্তা দিয়ে ছুটছেন এবং তাঁর হাতে একটি শাড়ি রয়েছে। রাত ২:৪৫ মিনিট নাগাদ তাঁকে স্থানীয় ‘বীরপ্পা’ মন্দিরে প্রার্থনা করতে দেখা যায়, এমনকি তিনি মন্দিরের মূর্তিও স্পর্শ করেন। এরপর ঠিক ভোর ৩টে নাগাদ তাঁকে পাশের মন্দিরের পুকুরের দিকে ছুটে যেতে এবং জলে ঝাঁপ দিতে দেখা যায়।

পরদিন সকালে তেজস্বিনীর মা ঘুম থেকে উঠে দেখেন তিনি ঘরের ভেতর বন্দি। প্রতিবেশীদের সাহায্যে দরজা খুলে বের হওয়ার পর মেয়ের খোঁজ শুরু করেন তিনি। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুকুরে তেজস্বিনীর দেহ ভাসতে দেখা যায়। মেদিপাল্লি পুলিশ, ডিআরএফ (DRF) এবং হাইড্রো (HYDRAA) দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গান্ধী হাসপাতালে পাঠায়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত থেকে জানা যাচ্ছে, তেজস্বিনী দীর্ঘ দিন ধরে গুরুতর মানসিক অবসাদ ও প্যানিক অ্যাটাক বা প্যানিক ডিসঅর্ডারের মতো সমস্যায় ভুগছিলেন।

পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন আধিকারিক জানিয়েছেন, “মৃতার মা তাঁর অভিযোগে জানিয়েছেন যে, মেয়েটি প্রায়শই ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন ও প্যানিক অ্যাটাকের শিকার হতেন। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। বাইরের কোনো ব্যক্তির হস্তক্ষেপ বা ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া যায়নি।”

পুলিশ এই ঘটনাটি একটি ‘সাইকোলজিক্যাল ব্রেক’ বা মানসিক বিপর্যয়ের ফল বলে মনে করছে। তবে ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। সব দিক খতিয়ে দেখতে এলাকার আরও সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *