Malda | রাতের অন্ধকারে আবাস যোজনার জিও ট্যাগিংয়ে টাকার খেলা! হরিশ্চন্দ্রপুরে কাঠগড়ায় তৃণমূল-সিপিএম

ব্লগ/BLOG
Spread the love


হরিশ্চন্দ্রপুর: মালদা (Malda) জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর (Harishchandrapur)-২ ব্লকে ‘আবাস যোজনা’ প্রকল্পের জিও ট্যাগিংয়ের নামে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে এল। রাতের অন্ধকারকে ঢাল বানিয়ে প্রকৃত উপভোক্তাদের বঞ্চিত করে টাকার বিনিময়ে কাঁচা বাড়ি বা গোয়ালঘরের সামনে ছবি তুলে অযোগ্যদের নাম নথিভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল (TMC) ও সিপিএম (CPM)—উভয় শিবিরের কিছু নেতার নাম জড়ানোয় রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক শোরগোল শুরু হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে হরিশ্চন্দ্রপুর-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত ও ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রশিদপুর এবং মালিওর অঞ্চলের পশ্চিম বেলশুর গ্রামে এই চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। অভিযোগ, আবাস যোজনার প্রথম বা পরবর্তী কিস্তির টাকা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে উপভোক্তাদের কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎকোচ নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয় (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি উত্তরবঙ্গ সংবাদ), যেখানে রাতের অন্ধকারে এক পঞ্চায়েত সদস্যকে টাকা নিয়ে জিও ট্যাগিং করতে দেখা যায়।

৩১ অগাস্ট সমীক্ষার শেষ দিন থাকায় গভীর রাতেও সমীক্ষকরা গ্রামে যান। পশ্চিম বেলশুর গ্রামে মাঝরাতে সমীক্ষার গাড়ি ঘিরে ফেলেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। স্থানীয় বাসিন্দা শাহানারা বিবি অভিযোগ করেন, “রাত দুটোয় সমীক্ষকরা এসেছিলেন। টাকা না দিলে সমীক্ষা হবে না জানানো হয় এবং যারা টাকা দিয়েছে, কেবল তাদেরই জিও ট্যাগিং করা হয়েছে।” রশিদপুরের বাসিন্দা মেহেরুন খাতুনও জানান, ঘর তৈরির তাগিদে বাধ্য হয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যকে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।

এই ঘটনায় রাজনৈতিক তর্জা চরমে উঠেছে। সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য শেখ খলিল দাবি করেছেন, অভিযুক্ত নেতাকে অনেক আগেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক কিষাণ কেডিয়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সরকারি প্রকল্পে কাটমানি বা দুর্নীতি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। পুরো বিষয়টি নিয়ে কড়া মনোভাব দেখিয়েছেন হরিশ্চন্দ্রপুর-২ এর বিডিও রাজা আদক। তিনি স্পষ্ট জানান, অবিলম্বে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হবে এবং দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *