উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম শুনানিতে বাংলায় এসআইআর (SIR) নিয়ে বিরোধীদের তোলা সবকটি অভিযোগ কার্যত নস্যাৎ করে দিল নির্বাচন কমিশন। এসআইআরকে বিরোধীরা যেভাবে দেশ জুড়ে গণহারে ভোটার বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করতে চাইছে তা সম্পূর্ণ অস্পষ্ট, অপ্রমাণিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে শীর্ষ আদালতকে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এমনকি এই প্রক্রিয়া যে সংখ্যালঘু, মুসলিম বা মতুয়া ভোটারদের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন অভিযোগও সরাসরি অস্বীকার করেছে কমিশন। কমিশননের দাবি, সংখ্যালঘুদেরও সকলের মতো একই রকম যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, দেশজুড়ে ১২টি রাজ্যে এসআইআর শুরু হওয়ার পর থেকে ডিএমকে, সিপিএম, তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেসের মতো রাজনৈতিক দলগুলো সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। সেখানে এসআইআর নিয়ে নানা অভিযোগ উঠে এসেছে। এদিন নির্বাচন কমিশন তার বক্তব্যে জানায়, সংবিধানের ৩২৫ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে, ধর্ম, জাতি, লিঙ্গের ভিত্তিতে কারও ভোটাধিকার হরণ করা যাবে না। সেই নিয়ম অনুসরণ করে তারা সকলের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে চায়।
হলফনামায় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে ৯৯.৭৭ শতাংশ বিদ্যমান ভোটারের কাছে এসআইআর ফর্ম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তার মধ্যে ৭০. ১৪ শতাংশ পূরণ করা ফর্ম ফেরত এসেছে। এরপরও কার্যপদ্ধতিগ্রত ত্রুটি, বা চাপের বিএলওদের আত্মহত্যার অভিযোগ তুলে ধরছেন মামলাকারীরা। যদিও এসআইআরের মাধ্যমে সম্ভাব্য ভোটারদের বঞ্চিত করার কথা তুলে ধরে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় বিরোধী দলগুলো। একই সঙ্গে এই প্রক্রিয়াকে তারা ‘ডি ফ্যাক্টো এনআরসি’ বলেও আখ্যা দিয়েছে।
