Malda | কালা কারবারের ফাঁদ, বাজারে ছড়াচ্ছে পাঁচশোর জাল নোট 

Malda | কালা কারবারের ফাঁদ, বাজারে ছড়াচ্ছে পাঁচশোর জাল নোট 

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


এম আনওয়ারউল হক, বৈষ্ণবনগর: বাজারে ছড়িয়ে যাচ্ছে ৫০০ টাকার জাল নোটও। বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে মালদা (Malda) করিডর হয়ে দেশজুড়ে জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার চক্র কাজ যে করছে, তা আবারও প্রমাণ হয়ে গেল। সোমবার কাকভোরে বৈষ্ণবনগর (Baishnabnagar) থানার ভগবানপুর দুবড়ি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করে বিপুল পরিমাণ জাল নোট বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। সুরজিৎ ঘোষ নামে বছর চব্বিশের ওই তরুণের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকার জাল নোট পাওয়া গিয়েছে। ধৃতের বাড়ি বৈষ্ণবনগরের বীরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধানাথটোলা এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুরজিৎ একটি স্কুটি নিয়ে ভোররাতে এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করছিলেন। তাঁকে পাকড়াও করে তল্লাশি চালাতেই প্রায় ৫০ হাজার টাকার জাল নোট পাওয়া যায়। সবক’টি পাঁচশো টাকার নোট। এত বিপুল পরিমাণ জাল নোট উদ্ধারের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। জেলার গোয়েন্দা শাখাও ঘটনার তদন্তে নামছে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এই জাল নোটচক্রের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগ থাকতে পারে। তবে সুরজিৎ কোথা থেকে জাল নোটগুলি হাতে পেয়েছিল এবং কোথায় পাচার করত, জেরা করে তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই বৈষ্ণবনগর-কালিয়াচক সহ সীমান্তবর্তী এলাকায় জাল নোট পাচারের সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। প্রতিদিন এই দালালচক্র নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করে। পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিকবার জাল নোট সহ পাচারকারী ধরলেও মূল চক্রের হদিস এখনও অধরা। এর ফলে সীমান্ত ঘেঁষা ওই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে। এব্যাপারে পুলিশের এক কর্তা জানিয়েছেন, ধৃতকে জেরা করে জাল নোট পাচারচক্রের রুট ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের নাম বের করে খোঁজার চেষ্টা করা হবে।

মালদার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় জাল টাকার চক্র পশ্চিমবঙ্গ তথা গোটা দেশে দীর্ঘদিন ধরে ছড়িয়ে রয়েছে। মালদার ওপারেই বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ। সেখান থেকেই ভারতবিরোধী গোষ্ঠীর মদতে জাল নোটের কারবার চলে বলে অভিযোগ রয়েছে। সেখান থেকেই সীমান্ত ও সীমান্ত লাগোয়া এলাকা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভারতে জাল নোট সরবরাহ চলতে থাকে। আবার মোটা টাকার লোভে এদেশের কেউ কেউ ওই চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালালেও সেই নজর এড়িয়েই দেদার কারবার চালাচ্ছে চক্রের মাথারা। চলতি বছরের ২৬ জুলাই গুজরাটে জাল নোট কারবারে যুক্ত থাকার অভিযোগে বৈষ্ণবনগর থানারই সুখপাড়া এলাকার এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছিল গুজরাট এসটিএফ। সে রাজ্যে জাল নোট সংক্রান্ত একটি ঘটনার তদন্তে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলে তার সঙ্গে তাহিরের নাম উঠে আসে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *