Lady stealing fish from Madhyamgram lastly arrested

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


কৌশল করে হাজার চারেক টাকার ইলিশ মাছ হাতিয়েছিলেন। সে কাজে সফল হলেও মধ্যমগ্রামের সেই মহিলা ‘মাছচোর’-এর ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই থেকে তক্কে তক্কে ছিলেন ‘প্রতারিত’ মধ্যমগ্রাম বাজার কমিটির সদস্যরা। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে রীতিমতো চিহ্নিত করে রেখেছিলেন তাঁরা। দিন চারেক পর প্রায় একই কায়দায় অন্য একটি বাজারে ফের মাছ চুরি করতে গিয়ে একেবারে হাতেনাতে ধরা পড়ে গেলেন তিনি! রবিবার নিউ বারাকপুরের বাজারে ওই মহিলাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন বিক্রেতারা। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম মনীষা ঘোষ। জেরায় তিনি জানিয়েছেন, মাছ খেতে খুব ভালোবাসেন। কিন্তু হাতে টাকা বিশেষ নেই। তাই কৌশলে বাজার থেকে মাছ চুরি করেছেন।

৬ সেপ্টেম্বর, রবিবার। নিউ বারাকপুর থেকে গ্রেপ্তার মধ্যমগ্রামের ‘মাছচোর’ মনীষা ঘোষ, নিজস্ব ছবি

আরও পড়ুন:

ঘটনার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার। মধ্যমগ্রাম সোদপুর রোডের কালীবাড়ি বাজারে মাছ ব্যবসায়ী প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের কাছে প্রায় দেড় কেজির একটি ইলিশ কেনেন মনীষা। দাম ছিল ৩৭০০ টাকা। কিন্তু ওই সময়ে তাঁর কাছে টাকা নেই বলে জানিয়ে কীভাবে দাম মেটাবেন, সেই উপায়ও বাতলে দিয়েছিলেন মনীষাদেবী। জানান, কাছেই নিজের দোকান আছে, সেখানে গিয়ে টাকা দিতে পারবেন। মাছ বিক্রেতা প্রসেনজিৎকে তিনি বলেন, তাঁর সঙ্গে কাউকে পাঠালে মাছের দাম দিয়ে দেবেন। সে কথায় ভরসা করে মাছ নিয়ে তাঁকে রিকশায় পাঠান ব্যবসায়ী। পথে রিকশাচালক ও ব্যবসায়ীর ভাইকে টাকা আনতে পাঠিয়ে নিজেই নেমে পালান মনীষা। পরে সিসিটিভি ক্যামেরা দেখে তাঁকে চিহ্নিত করা গেলেও খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু আশপাশের বাজারগুলিতে মনীষার ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

সেই ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক মাধ্যমেও। রবিবার নিউ বারাকপুর বাজারে একইভাবে মাছ চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে যান মধ্যমগ্রামের মনীষা ঘোষ। ব্যবসায়ীরা তাঁকে আটক করে মধ্যমগ্রাম বাজার কমিটিকে খবর দেন। পরে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ৩৭০০ টাকার ইলিশের দাম হিসেবে এদিন মধ্যমগ্রামের মাছ বিক্রেতা প্রসেনজিৎ বিশ্বাসকে ২৭০০ টাকা দিয়েছেন মনীষা। বাকি কবে, কীভাবে মেটাবেন, জানা নেই। তবে ‘মাছচোর’ ধরা পড়ায় স্বস্তি বাজারে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *