বর্ধমান: বিধানসভা ভোটের ফল বেরোতেই ভোলবদল? বর্ধমান দক্ষিণের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের একটি ভাইরাল অডিও ক্লিপ (Khokon Das Viral Audio) ঘিরে দক্ষিণবঙ্গে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক গুঞ্জন। অডিওটিতে খোকন দাসকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘আমিও এখন বিজেপি নেতা’। (যদিও ভাইরাল হওয়া অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি উত্তরবঙ্গ সংবাদ) যদিও তৃণমূল নেতার দাবি, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বাক্যযুদ্ধ।
বিজেপির অভিযোগ, বর্ধমানের কাঞ্চননগরে একটি দুর্গামন্দিরের কাজ করার পর জনৈক এক রাজমিস্ত্রি তাঁর পাওনা টাকা চাইছিলেন। সেই সূত্রেই খোকন দাস ওই মিস্ত্রিকে ফোন করে ধমক দেন বলে অভিযোগ। ভাইরাল হওয়া সেই কথোপকথনের শেষে খোকন দাসকে বলতে শোনা যায়, “তুই বিশাল নেতা হয়ে গিয়েছিস নাকি? শোন, আমিও বিজেপি নেতা এখন, সেটা নিয়ে ভাবিস না।”
জেলা বিজেপির মুখ্য মুখপাত্র কল্যাণ মাজি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে জানিয়েছেন, “একজন সাধারণ রাজমিস্ত্রিকে প্রাক্তন বিধায়ক হুমকি দিচ্ছেন এবং এফআইআর করানোর ভয় দেখাচ্ছেন। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন নিজেকে বিজেপি নেতা পরিচয় দিয়ে চমকানো সহজ হবে। মানুষ আপনাদের অপকর্মের হিসাব নেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে।” তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, বিজেপি কর্মীরা এখন সংযম দেখাচ্ছেন মানে এই নয় যে তাঁরা ভয় পেয়েছেন।
পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন খোকন দাসও। তাঁর দাবি, অডিওটির ভুল ব্যাখ্যা করছে বিজেপি। তিনি বলেন, “আমি বিজেপির কেউ নই এবং নিজেকে বিজেপি নেতা বলতেই পারি না। কঙ্কালীতলা মন্দিরের বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছিল, তাই পুলিশকে জানানোর কথা বলেছি। ওই মিস্ত্রি হিসাব দেয়নি বলেই ট্রাস্টের টাকা আটকে আছে। আমি কাউকে কোনও হুমকি দিইনি।”
