Kharba Panchayat no confidence movement | খরবা পঞ্চায়েতে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা! তৃণমূলে ভাঙন ধরাল কোন রাজনৈতিক সমীকরণ?

Kharba Panchayat no confidence movement | খরবা পঞ্চায়েতে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা! তৃণমূলে ভাঙন ধরাল কোন রাজনৈতিক সমীকরণ?

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


সামসী: মালদার (Malda) চাঁচল-১ ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতের (Kharba Panchayat no confidence movement) প্রধান রেহেনা পারভিনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা পড়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার চাঁচল-১ ব্লক অফিসে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের স্বাক্ষরিত অনাস্থা প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল বড় ধরণের ভাঙন ধরতে পারে বলে দাবি করেছে কংগ্রেস, যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে।

২৬ সদস্য বিশিষ্ট খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতে মূলত তৃণমূলের (TMC) ১৪ জন, কংগ্রেসের (Congress) ১০ জন এবং সিপিএমের (CPM) ২ জন সদস্য রয়েছেন। অতীতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এই বোর্ডে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতা দখল করলেও, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে বলে দাবি অন্য রাজনৈতিক দলের। কংগ্রেস শিবিরের জোরালো দাবি, তৃণমূলের ৬ জন এবং সিপিএমের ১ জন সহ মোট ১৭ জন সদস্য প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে লিখিত সমর্থন জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, অনাস্থা প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত তৃণমূলের এই বিদ্রোহী সদস্যরা শীঘ্রই কংগ্রেসে যোগদান করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্ব।

প্রধান রেহেনা পারভিনের বিরুদ্ধে অনাস্থাকারী সদস্যদের মূল অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে একতরফাভাবে পঞ্চায়েত পরিচালনা করে আসছেন। এলাকার কোনো উন্নয়নমূলক কাজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অধিকাংশ পঞ্চায়েত সদস্যের মতামতকে কখনোই গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই স্বৈরাচারী মনোভাব ও পুঞ্জীভূত ক্ষোভের ফলেই বাধ্য হয়ে তাঁরা অনাস্থা আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

যদিও এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন প্রধান রেহেনা পারভিন। তাঁর পাল্টা দাবি, রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে হাতিয়ার করে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনের টিকিটের লোভ দেখিয়ে তৃণমূলের নির্বাচিত সদস্যদের নিজেদের দিকে টানার ষড়যন্ত্র করছে কংগ্রেস। তিনি সাফ জানান, প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নকে সর্বাধিক প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এবং সমস্ত সদস্যকে সঙ্গে নিয়েই তিনি কাজ করেছেন। অন্যদিকে, কংগ্রেস সদস্য মঞ্জুর রহমান মণ্ডল প্রলোভনের সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে বলেন, বিরোধী সদস্যদের মতামতকে ধারাবাহিকভাবে উপেক্ষা করার ফলই এই অনাস্থা। প্রস্তাব জমা পড়ার পর খরবা পঞ্চায়েতের মসনদ শেষ পর্যন্ত কার হাতে যায়, এখন সেদিকেই নজর সমগ্র জেলার রাজনৈতিক মহলের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *