Kerala | বাম দুর্গে বিজেপির থাবা! তিরুবনন্তপুরমের মেয়র হলেন ভি ভি রাজেশ, ইতিহাস গড়ল পদ্ম শিবির

Kerala | বাম দুর্গে বিজেপির থাবা! তিরুবনন্তপুরমের মেয়র হলেন ভি ভি রাজেশ, ইতিহাস গড়ল পদ্ম শিবির

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: কেরলের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায় রচনা করল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। তিরুবনন্তপুরম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে নিজেদের প্রথম মেয়র পেল গেরুয়া শিবির। বৃহস্পতিবার এই গুরুত্বপূর্ণ পদে শপথ গ্রহণ করেছেন বিজেপি নেতা ভি ভি রাজেশ। বিধানসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে রাজ্যের রাজধানী শহরে এই জয় বিজেপির জন্য এক বিশাল রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই জয়ের ফলে কেরলের বাম দুর্গ হিসেবে পরিচিত রাজধানী শহরে এবার বিজেপির কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হল। ভি ভি রাজেশ, যিনি বিজেপির রাজ্য সম্পাদকও, এদিন সকালে একটি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে মেয়র হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:

কেরল দীর্ঘদিন ধরে সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এলডিএফ) এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ)-এর মধ্যে ক্ষমতার পালাবদল দেখে আসছে। সেখানে বিজেপির এই উত্থান রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তিরুবনন্তপুরম কর্পোরেশনে বিজেপির এই সাফল্য আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলের কর্মী-সমর্থকদের মনোবল বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।

বিজেপির প্রতিক্রিয়া:

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব। দলের সাধারণ সম্পাদক এবং কেরলের ভারপ্রাপ্ত নেতা শিবরাজ সিং চৌহান সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ লিখেছেন, “কেরল বিজেপির জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। তিরুবনন্তপুরম কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় শ্রী ভি ভি রাজেশকে আন্তরিক অভিনন্দন।”

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডাও এই জয়কে দলের প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই জয় প্রমাণ করে যে কেরলের মানুষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিশ্বাস রাখছেন এবং রাজ্যের উন্নয়নের জন্য বিজেপির বিকল্প খুঁজছেন।

ভবিষ্যতের ইঙ্গিত:

এই জয় কেবল একটি কর্পোরেশনের ক্ষমতা দখল নয়, এটি কেরলের রাজনীতিতে বিজেপির ক্রমবর্ধমান প্রভাবের স্পষ্ট ইঙ্গিত। বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজধানীর মেয়র পদ দখল করা দলের জন্য এক বড় মাইলফলক। এখন দেখার বিষয়, এই সাফল্যকে পুঁজি করে বিজেপি রাজ্যের সামগ্রিক রাজনীতিতে কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *